ডিএক্সওমার্ক রিপোর্ট: আন্ডার ৬০০ ডলারে সেরা ক্যামেরা ফোন?

ডিএক্সওমার্কের রিপোর্ট অনুযায়ী এই স্মার্টফোনটা হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে সেরা ক্যামেরা ডিভাইস রাইট নাউ আন্ডার ৬০০ ডলার। আমি কথা বলছি টেকনো ক্যামন ৫০ আল্ট্রা নিয়ে। ডিএক্সওমার্কের একটা রিপোর্ট দেখলাম, যেখানে বলা হচ্ছে ৬০০ ডলারের নিচে যত ফোন রয়েছে তার মধ্যে সবচাইতে সেরা ক্যামেরা নাকি এটা প্রোভাইড করছে।

বাট ডিএক্সওমার্কের রিপোর্টকে আমি কেন বিশ্বাস করব? আগে আমাদের নিজেদের টেস্ট করতে হবে, তাই না?

আচ্ছা, শুধু ক্যামেরা না এই স্মার্টফোনটাতে আরো কয়েকটা স্পেশালিটি রয়েছে। ফার্স্ট অফ অল, এটাতে ১.৫কে রেজোলিউশনের একটা কার্ভড অ্যামোলেড প্যানেল আমরা দেখতে পাই। মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭৪০০ আল্টিমেট রয়েছে। এরপরে প্রচুর পরিমাণে এআই ফিচারস রয়েছে। আর এটাতে বড়সড় ব্যাটারিও আছে। আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার রয়েছে। আর ক্যামেরায় হ্যাঁ টেলিফটো জুম লেন্সও রয়েছে।

তো বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং বিষয় আছে। এটা অফিশিয়াল ডিভাইস এবং বাংলাদেশ মার্কেটে দুই দুইটা ভেরিয়েন্টে পাওয়া যাবে। ৮/২৫৬ এবং ১২/২৫৬ জিবি ভেরিয়েন্টে।

আরো পড়ুন: সার্বজনীন পেনশন স্কিম: সরকারি চাকরিজীবী ছাড়া সবাই পাবেন পেনশন

এখন এই দারুণ সব ফিচার, সবকিছুই রয়েছে। সেগুলো আসলে কতটুকু ওয়ার্ক করছে, কেনার জন্য যথেষ্ট কিনা, চলুন সেটা ফাইন্ড আউট করি।

ডিজাইন, থিকনেস ও বিল্ড কোয়ালিটি

ফার্স্ট অফ অল, ডিভাইসটা যথেষ্ট স্লিম এবং এটার ওজনও অনেকটাই কম। তো যেটা খুব একটা বেশি মনে হবে না মোটেই এবং এক হাতে নিয়েও ব্যবহার করার উপযোগী একটা ডিভাইস। যেহেতু বোথ সাইড থেকেই কার্ভ করা হয়েছে।

থিকনেস ৭.৮ মিলিমিটার এবং অনলাইন তথ্য অনুযায়ী এটাতে মিলিটারি স্ট্যান্ডার্ড সার্টিফিকেশন রয়েছে। কেমনে কি, এরকম গার্ড একটা ফোনে।

এনিওয়ে, এটাতে IP68 এবং IP69 রেটিং আপনারা পেয়ে যাবেন। পানি ঢোকার পসিবিলিটি খুবই কম। আপনি চাইলে আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফিও করতে পারবেন এই ডিভাইসটা দিয়ে।

আরো পড়ুন: পাসপোর্ট অফিসের নতুন নিয়ম: এখন আর যেকোনো অফিসে পাসপোর্ট করা যাবে না

রিয়ার প্যানেলকে প্রোটেকশন করছে কর্নিং গরিলা গ্লাস এবং সামনের ডিসপ্লেকে প্রোটেকশন করছে কর্নিং গরিলা গ্লাস। এইটা অবশ্যই ভালো একটা সাইন আমি বলব যে বোথ সাইডে কর্নিং গরিলা গ্লাসের প্রোটেকশন রয়েছে। অফকোর্স গ্লাস রয়েছে, বাট বডি ফ্রেমটা প্লাস্টিকে তৈরি। এই জায়গায় ভাই মেটাল দিয়ে দিলে ফোনটা মানে একদম সেই।

বাট আপনি পাচ্ছেন না ৩.৫ মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক। কিন্তু একটা এক্সট্রা বাটন পেয়ে যাচ্ছেন লেফট সাইডে। এটা ডেডিকেটেড এআই বাটন হিসেবে বা অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।

ডিসপ্লে: ৬.৭৮ ইঞ্চি কার্ভড অ্যামোলেড, ১.৫কে রেজোলিউশন

ডিসপ্লেতে ৬.৭৮ ইঞ্চির এই প্যানেলটা মূলত একটা অ্যামোলেড প্যানেল, যেখানে ১৪৪ হার্টজ পর্যন্ত আমরা হাই রিফ্রেশ রেট দেখতে পাই সর্বোচ্চ। যদিও মোস্টলি আপনি এটা পাবেন না। ম্যাক্সিমাম অ্যাপের ক্ষেত্রেই ৯০ টু ১২০ হার্টজের মধ্যেই ওঠানামা করতে দেখবেন। ১২০ হার্টজ আমার কাছে এখনো ঘুরে নাম মনে হয়। আপনাদের কি অবস্থা কমেন্ট করে জানাবেন।

আর এটাতে হাই পিডব্লিউএম ডিমিং রয়েছে ২১৬০ হার্টজ। অন্যদিকে HDR10 এর সাপোর্ট থাকছে। কিন্তু ডিভাইসটাতে Pro-XDR Eye Care নামক একটা প্রোটেকশন ওরা চোখের জন্য ব্যবহার করছে। এর ফলে আপনি লং টাইম এই ডিসপ্লেটা যদি ব্যবহার করেন বা যাই দেখুন, সেক্ষেত্রে আপনার চোখের উপরে প্রেসার কম পড়বে।

রেজোলিউশনটা ১.৫কে হওয়াতে আপনি যতই কাছ থেকে দেখুন বা একটু দূর থেকে দেখুন কেন, বেশ শার্প এবং ওয়েল ডিটেইল একটা ডিসপ্লে মনে হবে আপনাদের কাছে। ওয়াইডভাইন L1 এর সাপোর্ট রয়েছে। এবং এটার ব্রাইটনেস যথেষ্ট ভালো। এসবিএম এ একেবারে কত আসে, এই ব্যাপারটা ক্লিয়ার না। তবে আউটডোর, ইনডোর, হার্শ লাইট, ডিরেক্ট সানলাইট সব জায়গায় দেখার জন্য একদমই পারফেক্ট। সেক্ষেত্রে কোন ধরনের সমস্যা ফেস করতে হয়নি আমাদেরকে।

আরো পড়ুন: জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ ছাড়া ট্রেনের টিকিট কাটা যাবে না।

যেহেতু কার্ভ ডিসপ্লের ফোন, সামটাইমস মিসটাচ জনিত কিছু ইস্যু ফেস করতে পারেন। আমিও দু একবার ফেস করেছি। এটার সাথে ইউজড টু হয়ে গেলে আর প্যারা হয় না।

কালার রিপ্রোডাকশন যথেষ্ট ভালো এবং টপ সেন্টারে পাঞ্চহোল কাটআউট রয়েছে, যার সাইজও ছোট এবং সিমেট্রিক্যাল একটা ডিসপ্লে। অর্থাৎ বেজেলগুলো একদমই সিমেট্রিক্যাল। দ্যাটস হোয়াই দেখতে যেকোন কিছুই ভালো লাগে এই ডিসপ্লেতে। ওভার স্যাচুরেশন লেভেলটা আমরা এই ডিসপ্লেতে লক্ষ্য করিনি, অনেক ফোনের ডিসপ্লেতেই দেখি। বাট একেবারে ন্যাচারাল টোন না, কালারটা একটু বুস্টেড হালকা।

আর ২৫৬ জিবি ভেরিয়েন্টের এই ডিভাইসটার দাম ৪২,৯৯৯। পরবর্তী ভেরিয়েন্টের দাম রয়েছে কিন্তু ৪,৯৯৯। তো আমরা যদি ৪২,৯৯৯ এই ডিভাইসটা ওইভাবে চিন্তা করি তাহলে ডিসপ্লে নিয়ে এমনকি ৫০-এর ঘরের যে ভেরিয়েন্ট, তাতে ডিসপ্লে নিয়ে কমপ্লেইন করার মত সুযোগ আমি আসলে দেখছি না।

ক্যামেরা হার্ডওয়্যার: তিনটি রিয়ার ক্যামেরা, ৫০ মেগাপিক্সেল সেলফি

ডিএক্সওমার্ক রিপোর্ট: আন্ডার ৬০০ ডলারে সেরা ক্যামেরা ফোন?
ডিএক্সওমার্ক রিপোর্ট: আন্ডার ৬০০ ডলারে সেরা ক্যামেরা ফোন?

ডিসপ্লের পরে যদি আমরা চলে আসি ক্যামেরাতে, যেহেতু ক্যামন সিরিজের ডিভাইস, সো ক্যামেরা নিয়েই বোধহয় একটু আগে আলোচনা করা উচিত।

রিয়ার প্যানেলে মোট তিনটা শুটার রয়েছে। এর মাঝে মেইন শুটারটা ৫০ মেগাপিক্সেলের এবং এটা Sony LYT-700C, যা আমাদের কাছে যথেষ্ট পপুলার এবং পরিচিত একটা সেন্সর বলতে পারেন। এর পরবর্তী শুটার ৫০ মেগাপিক্সেলের, যা থ্রি এক্স অপটিক্যাল জুম দিতে পারে। তারপরের শুটারটা হচ্ছে ৮ মেগাপিক্সেল, যা আল্ট্রাওয়াইড ছবি নেবে।

ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের শুটার। সো এটা ক্যামেরা স্মার্টফোন। আমাদের এক্সপেক্টেশনও ওরকমই থাকবে।

ক্যামেরা অ্যাপ ও শুটিং এক্সপেরিয়েন্স

ফার্স্ট অফ অল, যদি ক্যামেরার ইউআই বা অ্যাপটা নিয়েই বলি, হ্যাঁ ক্যামেরা অ্যাপটা মোটামুটি যথেষ্ট ফাস্ট। এখানে তেমন কোন ডিলে বা ল্যাগ জাতীয় কোন প্রবলেম আমি ফেস করিনি। হ্যাঁ, আপনি মোড চেঞ্জ করছেন, এই জায়গাটাতে মনে হচ্ছে একটু ডিলে নিচ্ছে। আরেকটু ফাস্টারও হতে পারে। বাট এটা চোখে বাধার মত না, এটা অ্যানিমেশনের কারণে লাগছে মূলত। এর বাইরে সবকিছু ঠিকঠাকই লাগছে।

নরমাল ক্লিকে শাটার স্পিড যথেষ্ট ফাস্ট। এটার আবার আপনি যখন ফ্ল্যাশ স্ন্যাপে যাবেন তখন তো আপনি যেকোনো ফাস্টার মুভমেন্ট করা যেকোন জিনিসেরই ছবি তুলতে পারবেন, সেক্ষেত্রে বেশ ভালো ছবি আসে।

রেগুলার ক্লিকের ম্যাক্সিমাম ছবি ইউজেবল পাবেন। ডিএক্সওমার্ক যে খুব একটা খারাপ বলছে বিষয়টা এরকম না। এটলিস্ট যদি আমরা বাংলাদেশের অফিশিয়াল যে ফোনগুলো দেখি এই প্রাইস সেগমেন্টে অর্থাৎ ৪২,৯৯৯ বা ৪৩ হাজার টাকার মধ্যে যে অফিশিয়াল ফোনগুলো রয়েছে, তাদের সাথে কম্পিটিশনে নিতে গেলে ডেফিনিটলি ক্যামেরাতে এটা বেশ ভালোভাবে স্ট্যান্ড আউট করছে। আনঅফিশিয়াল বা গ্রে মার্কেট হিসেবে আলাদা, সেখানে আমি কম্পেয়ার করছি না।

আরো পড়ুন: ট্রেনের টিকেট কেনার নতুন নিয়ম: জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া টিকেট পাবেন না?

যেটা দেখলাম ওদের প্রিভিয়াস জেনারেশন থেকে ওরা ডায়নামিক রেঞ্জ হ্যান্ডেলিং এ বেশ ভালো করছে। এই স্মার্টফোন দিয়ে তোলা ছবি আমি দুইজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারকেও দেখিয়েছিলাম। তাদের জাজমেন্ট থেকে উনারা যেটা বললেন, হ্যাঁ এই ফোন হিসেবে ডায়নামিক রেঞ্জ হ্যান্ডেল যথেষ্ট ভালো করছে। হোয়াইট ব্যালেন্স ভালো আছে এবং এক্সপোজার কন্ট্রোলিংটাও ভালো করছে।

যেদিনের ছবি আমি দেখেছিলাম, ওইদিন বেশ হার্শ লাইটে এই ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। আমরা জাজমেন্টের ক্ষেত্রে ফটোগ্রাফির দিকে চলে গেছিলাম। ব্যাকলাইট কিরকম কন্ট্রোল, লাইটের ইস্যু আছে কিনা, ফ্রেমিংও দেখছি। আর ফোনের টেকনিক্যালি দেখলাম যে ওভারঅল পোর্ট্রেট মনে হয়েছে, ব্যাকগ্রাউন্ড সেপারেশনটা সুন্দর ছিল, কালার প্রোডাকশনও ভালোই লাগছে। ওভারঅল ডায়নামিক রেঞ্জটা খারাপ না, ভালোই দিছে।

তো সেই জায়গা থেকে আমরা বুঝতে পারছি, স্মার্টফোন ক্যামেরা মোটামুটি ভালোই করছে ৪৩,০০০ টাকা প্রাইস সেগমেন্ট থেকে। হ্যাঁ, কালারটা কিছুটা টুইকড। একেবারে ন্যাচারাল ঠিক না, বাট একটু টুইকড। আবার যদি আপনি একটু শ্যাডোর দিকে গিয়ে তোলেন সেক্ষেত্রে কন্ট্রাস্টের পরিমাণটা কিছুটা বাড়তে দেখা যায়। স্টিল সেটা দেখতে খুব একটা খারাপ লাগে না, আরো বেশি ক্রিস্প বা একটু আইক্যাচি টাইপের লাগে।

এমনিতে এর নরমাল ক্যামেরার ছবিও আপনারা চাইলে টু এক্স এ জুম করে ব্যবহার করতে পারবেন।

টেলিফটো জুম, এআই জুম ও পোর্ট্রেট

এখানে টেলিফটো জুম লেন্সটা রয়েছে। থ্রি এক্স পর্যন্ত কিন্তু আপনি একদম অপটিক্যাল জুমেই ব্যবহার করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে লসলেস জুম বলা যেতে পারে। যদিও মেইন ক্যামেরার সাথে কালারের কিছুটা তারতম্য আমরা এখানে লক্ষ্য করছি।

অন্যদিকে ৬০ এক্স পর্যন্ত আপনারা এআই জুম ব্যবহার করতে পারবেন। তো এইটার ক্ষেত্রে আমার যা মনে হলো, যদি আপনি ডিটেইলড ছবি চান, জুমের ক্ষেত্রে টু এক্স এর উপরে গিয়ে আসলে খুব একটা অসাধারণ ছবি আপনি পাবেন না। বাট এর মধ্যে আপনারা ওয়েল ডিটেইল এবং সেই জায়গা থেকে কাজে লাগানোর মত ছবি দিতে পারবে।

পোর্ট্রেট মোডে হ্যাঁ আপনারা বেশ কয়েকটা ফোকাল লেন্থে ছবি তুলতে পারবেন। এবং হাই ফোকাল লেন্থেও কিন্তু এই স্মার্টফোনটা দিয়ে আপনারা যে ছবিটা তুলছেন সেটা কিন্তু অবশ্যই টেলিফটো থেকেই আসছে। অর্থাৎ ৭৫ এমএম, ৫০ এমএম, ৩৫ এমএম এবং ২৪ এমএম এ আপনি ছবি তুলতে পারবেন এই স্মার্টফোনটি দিয়ে। এক্ষেত্রে পোর্ট্রেট মোডটা বেশ ভালো রেজাল্ট দিচ্ছে টেকনোর প্রিভিয়াসলি অন্যান্য ডিভাইসগুলোর তুলনায়, যেগুলো আমরা ক্যামন সিরিজেও দেখেছি বা এর আশেপাশে বাজেটে দেখেছি।

বিশেষ করে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেসটা এবার এসে অনেকটা ন্যাচারাল মনে হয়েছে। হ্যাঁ, এজ ডিটেকশনে এখনো কিছুটা মিসম্যাচ করছে। বাট ছবিগুলো ওয়েল ডিটেইলড লাগছে। আমরা এর আগে দেখতাম অনেকটা সফট করে ফেলে। বাট এখন স্কিনের ক্ষেত্রে বা ফেসের ক্ষেত্রে ওই সফটনেসটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। বরং ডিটেলের পরিমাণ ভালো দেখা যায়। এজ ডিটেকশনে কিছু কাজ করার সুযোগ আছে এখনো। সেই জায়গায় একটু নজর দিলে বোধহয় আরো বেটার ছবি বের করা সম্ভব এই স্মার্টফোন থেকেই।

আল্ট্রাওয়াইড ও সেলফি ক্যামেরা

আল্ট্রাওয়াইডটা একটু বেসিক লেগেছে আমার কাছে। এটা যদি টেকনো আরো ৩১-৩৩ হাজার টাকার মধ্যে দিত, তাহলে ওকে মনে হয়েছে। আল্ট্রাওয়াইডটাতে একটু ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ আছে। এই জায়গাটাতে আমরা রেজোলিউশনও কম দেখছি, ডিটেইলের পরিমাণও কম থাকে।

কিন্তু দিনের বেলা ভালো আলোতে তুললে আপনারা কাজের উপযোগী ছবি পাবেন। বাট লো লাইটে এটা ওভার কন্ট্রাস্ট হচ্ছে, সেই সাথে ডায়নামিক রেঞ্জে ততটা ভালো পারে না। আর ডিটেলের পরিমাণে অনেকটা হারাতে থাকে।

ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা একেবারে সেলফি লাভারদের মন মত ছবি দিবে এটুকু সিওর। অর্থাৎ একটু ব্রাইট করে দেওয়ার প্রবণতা এখানে আছে। একটু গ্লোও করে। বাট ছবির রেজোলিউশন ভালো হওয়াতে শার্পনেস, ডিটেলও ভালোই মনে হয়। কিন্তু ডায়নামিক রেঞ্জ হ্যান্ডেলিংটা মেইন ক্যামেরার মতো একেবারে ওই লেভেলের না। বাট স্টিল ৪২,০০০ টাকায়, অফিশিয়াল ফোনগুলোর সাথে কম্পিটিশনে খুব ভালোভাবে সারভাইভ করতে পারছে।

এখন এইটার ছবিকে একেবারে সেরা সেরা আমি বলবো না, যদি আমরা আনঅফিশিয়াল মার্কেট এবং অফিশিয়াল মার্কেট দুই সাইডেই কম্পেয়ার করি। বাট যদি অফিশিয়াল বলি তাহলে ভাই এটা একদম টপে থাকবে। এটুকু বলা যেতে পারে।

এআই ফিচারস (ক্যামেরা ও ইমেজিং)

বলছিলাম, বেশ কিছু এআই ফিচারস রয়েছে। ক্যামেরার ক্ষেত্রে আপনারা বেশ কিছু এআই ফিচারস ব্যবহার করতে পারবেন ছবির ক্ষেত্রে। যেমন ছবির রিফ্রেমিং এর ক্ষেত্রে এখানে দেখলাম এআই অটো জুম নামে একটা অপশন রয়েছে। আপনারা ওইটা ব্যবহার করতে পারবেন। অটোমেটিক জুম করে একটা পারফেক্ট ফ্রেমে নিয়ে আসতে পারে। জুম করেও দেবে, প্লাস ফ্রেমটাও পারফেক্ট আসে।

তাছাড়া এআই আর্ট গ্যালারি যেটা ওদের আগে ছিল। অনেক সময় ছবিতে আননেসেসারি যেটা আমরা চাই না, এই ধরনের শ্যাডো চলে আসে, সে ধরনের শ্যাডোও কাট করা যায় এখান থেকে।

তাছাড়াও ইমেজ টু অ্যানিমেশন জেনারেট করা যায় সরাসরি স্মার্টফোন দিয়ে, যা বেশ ফান একটা ব্যাপার।

রেকর্ডিং: ফ্রন্ট ও রিয়ার ৪কে ৩০ এফপিএস

ক্যামন ৫০ আল্ট্রার ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরায় রেকর্ড করা যায় সর্বোচ্চ 4K 30fps। রাইট নাও আমি রেকর্ড করছি। এমনকি সাউন্ডটাও পাচ্ছেন কিন্তু এই স্মার্টফোনের মাইক্রোফোন থেকেই। সো মোটামুটি বুঝতে পারছেন।

তবে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরার রেকর্ডিং এর কালারিং এ কিছুটা ইস্যু আছে। এটা ব্যালেন্স করতে গিয়ে একটু প্যারা খাচ্ছে। ডায়নামিক হ্যান্ডেলিং এ এখানে কিছুটা ইস্যু আছে। এক্সপোজার কন্ট্রোলিং এও। আর হ্যাঁ, এটা ৬০ এফপিএস হলে আরো বেশি স্মুথ ফুটেজ পাওয়া যেত। কিছুটা চ্যাটারিং ইস্যু আমি পেয়েছি।

এটার রিয়ার ক্যামেরাও রেকর্ড করতে পারে সর্বোচ্চ 4K 30fps এ। এখানেও ৬০ এফপিএস আপনারা মিস করবেন। বাট রিয়ার ক্যামেরার ফুটেজ ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরার তুলনায় অনেকটাই বেটার আসে। সেক্ষেত্রে আপনারা হাই রেজোলিউশন এবং ডিটেলের পরিমাণও বেশ ভালোই দেখবেন। এক্সপোজার ব্যালেন্স থেকে এখানেও হালকা একটু ইস্যু আছে।

ক্যামেরা ফোকাসে কিনবেন কি?

এখন কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন, আমি একটা অফিশিয়াল ডিভাইস কিনতে চাই, বাট আমার ক্যামেরাটা মেইন প্রায়োরিটি এবং আমার বাজেট ৪২-৪৩ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে আমি এই ফোনটাকে চয়েস করতে পারি কিনা?

আমি অবশ্যই ভাই এটাকে চয়েস করতে পারেন। কারণ মার্কেটের অন্যান্য যে কম্পিটিটর রয়েছে, সে জায়গা থেকে ক্যামেরার জন্য উনি এগিয়ে থাকবেন।

সফটওয়্যার, আপডেট ও পারফরম্যান্স

এবার যদি পারফরম্যান্সের দিকে আমরা চলে আসি, স্মার্টফোনটা আউট অফ দ্য বক্স রান করছে হাইওএস ১৬ অন টপ অফ অ্যান্ড্রয়েড ১৬। ওরা অফিশিয়ালি ক্লেইম করছে ডিভাইস তিনটা মেজর আপডেট দেবে। সুতরাং আপনি বেশ কিছুদিন লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েডে রান করাতে পারবেন এই ডিভাইস।

মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭৪০০ আল্টিমেট রয়েছে এর এসওসি হিসেবে এবং UFS 2.2 হলো গিয়ে এর স্টোরেজ টাইপ। হ্যাঁ, এই জায়গাটায় কমপ্লেইন আমার মত আপনাদেরও রয়েছে নিশ্চয়ই। UFS 2.2 এইটা একটু কমতির কারণ হয়েই দাঁড়াবে।

এখন এই এসওসি সম্পর্কে আমরা যতটুকু জানি বা ব্যবহার করেছি, এটা বলা যায় মিডরেঞ্জ বা একটু হাই মিডরেঞ্জের দিকে যাচ্ছে, ওরকম জায়গার একটা এসওসি এবং ব্যালেন্স একটা এসওসি যা রেগুলার কাজকর্ম বা টাস্ক খুব ভালোভাবে সামলাতে পারে। খুব বেশি হিট জেনারেট করে না। গেমিং এ আপনি খুব আহামরি রেজাল্ট তো এ থেকে পাবেন না, কিন্তু কাজ চালানোর উপযোগী একটা রেজাল্ট দিতে পারে। সাস্টেইনেবিলিটি মোটামুটি বেশ ভালো।

এটা দিয়ে ডে টু ডে লাইফের কাজগুলো খুব সহজেই সামলানো যাবে। সেক্ষেত্রে আপনি কোন ধরনের প্রবলেম ফেস করবেন না। অ্যাপ ওপেন ক্লোজ টাইমে মোটামুটি ফাস্ট।

র‍্যাম ম্যানেজমেন্টটা আমি আরেকটু বেটার আশা করছিলাম। র‍্যাম ম্যানেজমেন্টটা আমার কাছে একদম ওই লেভেলে মনে হয়নি। এই ৮ জিবি র‍্যাম, আমি গতকালকে দেখলাম পাঁচটা অ্যাপ্লিকেশন এখানে রান করেছিল। ওই মুহূর্তে ও ৬ জিবি র‍্যামকে আটকে রাখছিল। এখন এর মাঝে কয়েকটা ব্যাপার আছে। শুধুমাত্র ওর অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে র‍্যামটা কনজিউম করে ফেলছে, ব্যাপারটা এমন না। ওর নিজস্ব ইউআই, সবকিছু মিলে হয়তো এটা কনজিউম করছে বা ব্যাকএন্ডে আবার কোন অ্যাপ রান হয়ে আছে কিনা সেরকম বিষয় থাকতে পারে। কিন্তু আমার মনে হয় ৮ জিবি কে আরো সুন্দর করেও ইউটিলাইজ করা যেত, যদি ম্যানেজমেন্ট আরেকটু বেটার করা যেত।

আরো পড়ুন: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংশোধনের নতুন নিয়ম: ছোট ভুল ঠিক করা যাবে

ওভারঅল ব্যবহারে ফোনটাকে অতিরিক্ত হিট জেনারেট করতে দেখিনি। যেহেতু ক্যামেরা সেন্ট্রিক একটা ডিভাইস, তো আমরা এই ফোনে ফটো এডিটিং অ্যাপটা চালিয়ে দেখছিলাম, সেগুলো ঠিকঠাক ভাবে চলে কিনা। হ্যাঁ, সেগুলো ঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে পারছে, কোন ধরনের সমস্যা ছাড়াই। এমনিতে নরমালি কোন অ্যাপের মাঝে ল্যাগ বা আটকে যাওয়ার মত প্রবলেম ফেস করিনি।

ইউআই এর মাঝে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুই একবার আমার মনে হচ্ছিল একটু ডিলে দিচ্ছে। এর বাইরে আর কোন প্রবলেম ফেস করিনি।

আরেকটা বিষয় আছে, এখানে প্রচুর পরিমাণে ব্লোটওয়্যার রয়েছে, যেগুলো আপনাদের প্রয়োজন হবে না। আমি গেস আনইনস্টল করে নেওয়াটাই বরং যুক্তিসংগত।

আর হ্যাঁ, টেকনোর ইউআই এর দিকে যদি একটু লক্ষ্য করেন, আপনারা একটু ফ্রস্টেড টাইপের ওই গ্লাস লাইক ইউআই এর মত একটা ব্যাপার লক্ষ্য করবেন, যা ইন্সপায়ারড। এটা দেখতে অবশ্য ভালোই লাগছে।

গেমিং পারফরম্যান্স

গেমপ্লেয়ের ক্ষেত্রে শুরুতেই বলব, ভাই যদি গেমিং এর প্ল্যান করে আপনি আসলে এই বাজেট থেকে কিনতে চান, তাহলে বরং সেটা করা উচিত হবে না।

হ্যাঁ, পাবজি আপনি ৯০ এফপিএস এ খেলতে পারবেন, আমরাও ট্রাই করে দেখেছি। ৯০ এফপিএস এ মোটামুটি স্মুথ রেজাল্টই দিচ্ছে। আপনারা আধা ঘন্টা গেমপ্লের ক্ষেত্রে স্মার্টফোনটাকে আমি সর্বোচ্চ হিট জেনারেট করতে এই মুহূর্তে দেখছি ৩৮-৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি। আর হ্যাঁ, ফ্রেম রেট মাঝে মধ্যে একটু ফ্লাকচুয়েট করছিল, ৮০ টু ৯০ এর মাঝে ওঠানামা করছিল। এভারেজে বলা যেতে পারে এইটা ৮৬-৮৭ এর আশেপাশে থাকে।

আবার যদি প্ল্যান করেন রেকর্ডিং অন করে গেমিং করবেন, তখন দেখবেন যে এটা আর একটু চাপ দিয়ে ধরছে বা প্রেসার দিচ্ছে।

ফ্রি ফায়ার এর মত গেম বেশ ভালোভাবেই হ্যান্ডেল করতে পারছে এই ডিভাইসটা। সেক্ষেত্রে প্রবলেম ফেস করতে হবে না, আই গেস। বাট হ্যাঁ, একটু হিট জেনারেট করে, পাতলা ফোন তো আপনি একটু ফিল পেতে পারেন সহজেই। আর খুব দ্রুতই ডিসপ্লে সাইডটাতেও টের পাওয়া যায়। তবে ওভারহিটের জন্য কোন প্রবলেম ফেস করিনি। এটাও ঠিক।

অন্যদিকে COD মোবাইল এই স্মার্টফোনটিতে বেশ ভালোভাবে রান করতে দেখবেন এবং বেশ স্মুথ একটা রেজাল্টই দিতে পারছে। তাছাড়া এই এসওসিটা অতিরিক্ত ব্যাটারিও বার্ন করে না। সো গেমিং টাইমে ব্যাটারি বার্নিং নিয়েও চিন্তা করতে হবে না।

ব্যাটারি ও চার্জিং

ব্যাটারি প্রসঙ্গ যেহেতু চলে আসলো, এই ডিভাইসটাতে ব্যাটারি রয়েছে ৬৫০০ এমএএইচ এবং ৪৫ ওয়াটের চার্জিং সিস্টেমটা সাপোর্ট নিচ্ছে। তো ৪৩,০০০ টাকায় ওকে আছে।

বাট আমরা যখন ৫০-এর ঘরে চলে যাব এর পরবর্তী ভেরিয়েন্ট, সেই জায়গায় গেলে আমরা তো আবার আশা করব ওয়্যারলেস চার্জিং টেকনোলজিটা, যেটা এখানে নেই। কারণ অনেকে এখন দিচ্ছে।

তবে ৪২ হাজার টাকায় ৬৫০০ ওকে, বাট চার্জারটা আরেকটু বড় হওয়া দরকার ছিল। চার্জারটা আরেকটু বড় হলে পরে আমার মনে হয় আরো বেশি পারফেক্ট জায়গা হতো।

ব্যাটারি ব্যাকআপ নিয়ে বলতে গেলে আপনি মোটামুটি সাড়ে ৯ ঘন্টার মত একটা এসওটি পাবেন এবং একদিন প্লাস টাইম ব্যবহার করা যায়। একদিন ব্যবহার করার পরেও ২০% এর মত হয়তোবা দেখবেন যে ব্যাটারি রয়েছে।

স্পিকার, হ্যাপটিকস ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট

আর কি থাকছে? স্টেরিও স্পিকার। স্পিকারটা একটু থিন লাগছে, বাট ব্যালেন্স টাইপের একটা সাউন্ড দেয়। যথেষ্ট লাউড এবং ক্লিয়ার সাউন্ড দেয়, একটু থিন আর কি।

এর বাইরে হ্যাপটিক ফিডব্যাকটা মোটামুটি টাইপ। ৪৩,০০০ টাকায় ওকে মনে হয়েছে এটা আমার কাছে।

আর আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার রয়েছে। এটা মোটামুটি ফাস্ট, অ্যাকিউরেট। তবে এটা কিন্তু আল্ট্রাসনিক না, অপটিক্যাল।

ও হ্যাঁ, এখানে একটা নোটিফিকেশন লাইট রয়েছে, এই পোরশনেই। যা আবার রেকর্ডিং টাইমেও জ্বলে। তো ব্যাপারটা একটু ইউনিক আর কি।

মোটামুটি সারাংশ (আপনার কথাতেই)

এখন মোটামুটি এই ছিল টেকনো ক্যামন ৫০ আল্ট্রা। বোঝাই যায় এটা একটা ব্যালেন্স এবং ক্যামেরার দিকে একটু ফোকাসড ডিভাইস বলতে পারেন। এটা অফিশিয়াল ডিভাইস। ক্যামেরা হিসেবে কিনতে চাইলে রিকমেন্ড করা যাচ্ছে এই ডিভাইসটাকে খুব ভালোভাবেই।

বাট গেমিং এর জন্য হলে আমি আসলে এটা ওভাবে সাজেস্ট করতে পারছি না আপনাদেরকে।

আরেকটা বিষয়, হ্যাঁ এটাতে ক্যামেরা টু এপিআই এর ক্ষেত্রে আমরা ফুল দেখছি, লেভেল থ্রি না, ফুল দেখছি।

তো যেটা বলছিলাম, যারা এআই নিয়ে একটু ফান করতে চান তাদের কাছে ব্যাপারটা ভালো লাগতে পারে।

আর কিছু কিছু জায়গায় একটু কমতি আছে, যে জায়গাগুলোতে আসলে আরো ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ ছিল বা দরকার ছিল। এর মধ্যে যেমনটা আমি বলছিলাম, স্টোরেজ টাইপটাতে আসলে ইমপ্রুভমেন্টের প্রয়োজন ছিল। র‍্যাম ম্যানেজমেন্ট আরেকটু বেটার হওয়ার সুযোগ ছিল এই ডিভাইসটাতে।

ফোনের মার্কেটের যে বাজে অবস্থা সেটা তো আপনারা জানেনই। সেই জায়গা থেকে ৪৩,০০০ টাকায় এই ডিভাইসটা আপনাদের কাছে কেমন লাগলো, কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। কারা অলরেডি কিনে ব্যবহার করছেন সেটাও কমেন্ট করে জানাবেন। এটা নাকি প্রি-অর্ডারে আসছিল। সব নাকি অলরেডি সোল্ড আউট। বুঝলাম না কাহিনী।

সবাই ভালো থাকবেন। দেখা হচ্ছে Samsung এর নতুন কোন কনটেন্টে। টিল দেন, টেক কেয়ার।

প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্ন: ডিএক্সওমার্ক অনুযায়ী এই ফোনের ক্যামেরা পজিশন কী?
উত্তর: ডিএক্সওমার্কের রিপোর্ট অনুযায়ী ৬০০ ডলারের নিচে যত ফোন রয়েছে, তার মধ্যে সবচাইতে সেরা ক্যামেরা নাকি এটা প্রোভাইড করছে।

প্রশ্ন: ডিসপ্লে কী ধরনের এবং রিফ্রেশ রেট কত?
উত্তর: ৬.৭৮ ইঞ্চির কার্ভড অ্যামোলেড প্যানেল, ১.৫কে রেজোলিউশন এবং সর্বোচ্চ ১৪৪ হার্টজ রিফ্রেশ রেট।

প্রশ্ন: এই ফোনে কোন প্রসেসর আছে এবং স্টোরেজ টাইপ কী?
উত্তর: মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭৪০০ আল্টিমেট, আর স্টোরেজ টাইপ UFS 2.2।

প্রশ্ন: ক্যামেরা সেটআপ কেমন?
উত্তর: রিয়ারে তিনটা শুটার। মেইন ৫০ মেগাপিক্সেল Sony LYT-700C, আরেকটা ৫০ মেগাপিক্সেল থ্রি এক্স অপটিক্যাল জুম, আর ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড। ফ্রন্টে ৫০ মেগাপিক্সেল।

প্রশ্ন: এই ফোন কি গেমিংয়ের জন্য ভালো?
উত্তর: পাবজি ৯০ এফপিএস এ মোটামুটি স্মুথ চলে, কিন্তু গেমিং মেইন পারপাস হলে এই বাজেটে এটা সাজেস্ট করা হচ্ছে না।

প্রশ্ন: ব্যাটারি ও চার্জিং কত?
উত্তর: ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট চার্জিং।

প্রশ্ন: পানি এবং ধুলা প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে কি?
উত্তর: IP68 এবং IP69 রেটিং আছে, আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফিও করা যাবে।

শেষ কথা

টেকনো ক্যামন ৫০ আল্ট্রা বোঝাই যায় একটা ব্যালেন্সড এবং ক্যামেরা ফোকাসড অফিশিয়াল ডিভাইস। ক্যামেরা যদি আপনার মেইন প্রায়োরিটি হয় এবং বাজেট ৪২-৪৩ হাজার টাকার মধ্যে থাকে, তাহলে এই ডিভাইসটা চয়েস লিস্টে রাখা যায়। তবে গেমিংকে যদি আপনি মূল উদ্দেশ্য করেন, তাহলে এই বাজেটে অন্য অপশন দেখাই ভালো।

moviezrulezmovie.com একটি বাংলাতে শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইটে মোবাইল ব্যাংকিং, রিভিউ, ব্যাংক, কার্ড, টিপস এবং ইনফো বিষয়ক শিক্ষামূলক আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন:

Leave a Comment