গ্লোবাল ফোনের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরা সবাই চাইনিজ ফোনের দিকে মুভ করছিলাম। এখন চাইনিজ ফোনগুলারও দাম বেড়ে গেছে ভাই। ভালো পরিমাণের বেড়ে গেছে। যা যা অফার করতেছে আগের মতন ফ্যাসিনেটিং লাগতেছে না।
বেশ বড়সড় মিস্টেক ধরতে পারতেছি। আগে ফার্স্ট ইম্প্রেশন ভিডিওতে ওয়া ওয়াও করে যাইতাম। যে এত কম দামে এত জোস জিনিস কিভাবে দিচ্ছে। বাট এখন আর সেটা হচ্ছে না। নতুন ডিভাইস আসছে। আই কিউ z1 চায়নায় খুব রিসেন্টলি লঞ্চ হইলো। আমাদের দেশে চলে আসছে।
আমরা আজকে একটা ফাস্ট ইমপ্রেশন নিয়ে আসছি। এটার যে আগের ছোট ভাই ছিল আই কিউজ10 বেশ পপুলার একটা ডিভাইস ছিল ওইটার স্টার্টিং প্রাইস হয়েছিল বাংলাদেশে 32000 টাকা যতখানি আমার মনে পড়ে 8128 এইটা স্টার্ট হইছে 8256 দিয়ে স্টোরেজটা বেশি দিচ্ছে ভেরি গুড বাট প্রাইসটা 8000 টাকা বেশি প্রথমত র্যাম স্টোরেজ সংকটের কারণে দাম একটু বাড়ছে ।
এরপরে আবার বিডিট ইও মানে হচ্ছে চাইনিজ যে কারেন্সি সেই কারেন্সির মধ্যে এক্সচেঞ্জ রেট কনভার্শন রেটটা ভালো পরিমাণে বাড়ছে আমি লাস্ট ভিডিওতে বললাম এটা তো জানায় রাখি যারা জানেন না। আমরা যে গ্যাজেট কেনাকাটা করি বিজনেস এন্ডে প্রায় 15% থেকে 12% এর মতন দাম বাড়ছে বাংলাদেশি টাকার তুলনায় চাইনিজের ইউয়ান এর ক্ষেত্রে।
সো ফোনের ক্ষেত্রেও খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। সব মিলায়া এত বড় একটা অংকের জাম্প এইটা খুব গায়ে লাগতেছে। এক লাখ টাকার ফোন এক লাখ 10000 টাকা হলে তো গায়ে লাগে না। কারণ কি? যে এক লাখ টাকা এফর্ড করতে পারে। 1 লাখ 10000 টাকা 12 হাজার টাকা ফাইন। বাট একটা ৳3,000 32000 টাকা দামের ফোন যখন 40,000 টাকা মার্কেটে এন্ট্রি নেয় তখন জিনিসটা খুবই দৃষ্টিকোটু লাগে।
IQOO Z11 X – যে ফোনে আছে 7200mAh + D-7400 Turbo
এন্ড এই প্রাইস রেঞ্জে যারা কিনে তাদের টাকাটা একটু বেশি কষ্ট করে যোগাড় করা লাগে। সেই জায়গা থেকে জিনিসটা আমি হতাশ হয়ে যাচ্ছি আসলে। সো আই কিউ জেড ইলেভেন আমাদের কাছে একদম গরম গরম পাঠায় দিছে সেলটেক বিডি।
আরো পড়ুন: বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার । bkash to rocket money transfer
সেলটেক বিডি চাইনিজ ফোনের ক্ষেত্রে বেশ ভালো পরিমাণে কালেকশন রাখে। চাইনিজ ফোনের জন্য রেকমেন্ডেড রইলো। গ্লোবাল ফোন ও তারা সেল করে। আপনি ডেফিনেটলি কিনতে পারেন। বসুন্ধরায় তাদের ব্রাঞ্চ আছে সেলটেক বিডির যেই ফেসবুক পেজ সবকিছু আমরা হচ্ছে ডেসক্রিপশন বক্সে দিয়ে রাখছি। কিনতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন।
বাট এখন কিনতে মানা করব। কারণ 40000 টাকা কোনভাবে এটা কেনার মত দাম না। আমরা এক্সপেক্ট করতেছি যদি 35,000 এর দিকে আসে হ্যাঁ তখন এটা আপনার চয়েস লিস্টে ঢুকবে। তখন আপনি যাচাই বাছাই করে কিনতে পারেন। সো আইকউজ 11 ফোনটা আমার পছন্দ হইছে। আউটসাইড থেকে। তিনটা কালার মনে হয় আছে। এর মধ্যে আমাদেরটা শাইনি কালার। খুব সুন্দর লাগছে আমার কাছে।
আকাশী কালার। ব্রাশ টাইপের একটা হচ্ছে টেক্সচার দেয়া। খুব লাইটলি দেখা যায়। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ওইভাবে পড়ে না বলতে গেলে এটা একটা কমপ্লিট প্লাস্টিক বডির ফোন। আপনি ফ্রেমটা ব্যাকটা সবকিছুই প্লাস্টিক পাচ্ছেন। আরো বেশ কিছু ঘাটতি আছে ভাই। আমি আপনার যাইতে যাইতে বলতেছি। আমার কাছে ভালো লাগছে এটার ফর্ম ফ্যাক্টরটা। ইউজুয়ালি 6.83 ইঞ্চ যে ডিসপ্লেওয়ালা ফোনগুলো হয় সেগুলো হয় অতিরিক্ত চওড়া।
এন্ড চর অফ আমার কাছে ভালো লাগে না। এটা কিন্তু একটু লম্বাটে হইছে। আগের এস সিরিজের ফোনগুলা যে ছিল এস 21 এস 22 আল্ট্রা সরি এস23 আল্ট ওগুলা যেরকম একটু লম্বার দিকে বেশি ফোকাস দিত এইটা ওরকম একটা লম্বাটে ফোন ফ্যাক্টর করছে। এন্ড এইজন্য হাতে নিয়ে ভালো লাগতেছে। যদিও ওয়েটটা একটু বেশি 216 গ্রাম এর মতন ভর বড় ব্যাটারি দিছে।
ব্যাটারি ও ব্যাকআপ রেজাল্ট
ওয়েট ম্যানেজমেন্টটা একটু বেটার হইতে পারতো। 8.25 মিলিমিটার থিকনেস মানে স্লিম ফোন বলা যাচ্ছে না এটাকে। হ্যাঁ। আইপি 6869 রেটিং আছে আইপির ক্ষেত্রে হাইয়েস্ট মিলিটারি গ্রেডের ড্রপ এন্ড প্রটেকশন আছে রেটিং দেয়া আছে মানে আপনি ভাংচুরের ক্ষেত্রে একদম টপ নচ কোয়ালিটি পাচ্ছেন স্টেরিও স্পিকার আছে যথেষ্ট মিনিমাল একটা ডিজাইন আমার কাছে ঠিকঠাক সুন্দর লাগছে স্পেশাল কিছু না বাট ইট ডস দা জব সামনের দিকে যে বেজেলস আরেকটু ন্যারো হইতে পারতো মনে হয় ।
বাট টুবি অনেস্ট এটা একটা 300 টাকার দিকের ফোন একচুয়ালি যদিও বাংলাদেশে আমাদের 400 টাকা কিনতে হইতেছে সেই বিবেচনায় হ্যাঁ ওইটা ঠিকঠাক 6.83 ইঞ্চ একটা এমোলেট প্যানেল রেজলেশন 1.5 5 কে 165 হজ এ রিফ্রেশ রেট দেখে অনেক ভালো লাগে বাট চাইনিজরা কিন্তু এগুলা একটু বেসলেস টাইপের ক্লেইম করে বসে একচুয়ালি আপনি 120 হz পাবেন 99% জায়গায় 1220 হ সঠিকভাবে হোল্ড আপ করতে পারে সেটাই এই প্রাইসের ফোনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট তারপরে ডিসপ্লে ব্রাইটনেস দিয়ে রাখছে পিক 5000 নিটস বিশ্বাস করার দরকার নাই 2000 নিস পর্যন্ত মনে হয় ম্যাক্স পায় বা 1600 1700র দিকে পাবে যেটা পিক হয় আর কি এইচবিএম এর ক্ষেত্রে এইচবিএম এর ক্ষেত্রে যেটা হয় সেটাই আপনার কাজে লাগবে সো সেটাই জেনে রাখেন এন্ড আউটডোরে কোন সমস্যা হয় নাই ঠিকঠাক পাইছি।
আরো পড়ুন: সরকারিভাবে প্রবাসীর সন্তানদের দেড় লক্ষ টাকা শিক্ষা
অপটিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর আছে। এইসব সাইডে মোটামুটি কাভারড। ফ্রন্টের যে পাঞ্ছোলটা এইটার পাশে যে ব্ল্যাক বর্ডারটা এটা একটু বড়। এইটুক পর্যন্ত আমি ধরতে পারি। আর ডিসপ্লেটা লাস্ট টাইম জেড এই ছিল কিন্তু কার্ভড। হালকা কার্ভড ছিল আর কি। এইবার পুরো ফ্ল্যাটে চলে গেছে। ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রেই মানুষ এখন বেশি প্রেফার করতেছে। এছাড়া হোয়াইট ব্যান্ড এলো সার্টিফিকেশন আছে। সো আপনার স্ট্রিমিং এর ক্ষেত্রে ফুল এইচডি পাইলেন সমস্যা হয়ে গেছে। এইচডিআর সার্টিফিকেট নাই।
এইচডিআর এ নো শো দেখাচ্ছে। এমনি YouTube ভিডিও টিডিও ওগুলাতে তো সমস্যা নাই। এটা অতটাও বাজেট ফোন না যেহেতু ডিসপ্লে সাইডে যেই দাম নিচ্ছে হ্যাঁ এই দাম অনুযায়ী ইটস গুড এনাফ এর থেকে বেশি দেয়ার কিছু নাই বেসিক্যালি দেন হার্ডওয়ারে আমি পুরোপুরি ভালো বলতে পারতেছি না যদিও এটাতে মিডিয়াটেক ডমসিটি 8500 চিপসেট দেয়া যথেষ্ট পাওয়ারফুল এন্ড ক্যাপবল একটা চিপসেট বাট আপনি দেখেন একটু ছয় মাস আগেই খুব সম্ভবতও প্স নট সি5 অফিশিয়াল ফোন ওয়ারেন্টি সহ সেটাতে ডামন্ড সিটি 8350 দেয়া ছিল অফিশিয়াল ফোনে সেখানে আমি চাইনিজ রমের ফোন তারপর আনঅফিশিয়াল 8500 খুব এটা মিলতেছে না।
যদিও লাস্ট টাইম জেড টেনে এ ছিল হচ্ছে স্ন্যাপড্রাগন সেভেন এস জেন থ্রি এইবার এট ফির মিডিয়াটাকে শিফট হয়েছে সমস্যা নাই বাট আরেকটু বেটার চিপসেট মোস্ট ডেফিনেটলি এটা ডিজার্ভ করে আমার মনে হয় এটা যে কম্পিউটার আছে রেডমিটারও ফাইভ ওইটা তো সিমিলার টাইপের চিপসেট দেয় এইজন্য আমি বেশি ব্যাশ করতেছি না রেডমিটার 5 এ হচ্ছে ডমেন্সিটি 8500 আল্টটা দিনশেষে এটা একটা ক্যাপাবল পাওয়ারফুল গুড এনাফ চিপসেট এই পর্যন্তই আর কি একদম এক্সট্রিমলি সুপার পাওয়ারফুল এই প্রাইস রেঞ্জে ফাটায় উড়ায় ফেলতেছে তেমন কিছু ভাবার প্রয়োজন নাই বাট রমরম টাইপের ক্ষেত্রে ওরা আগেরবার তুলনায় এবার একটা বেটার কম্বিনেশন দিতে পারছে। এইজন্য পারফরমেন্সে হ্যাঁ স্টিল একটা পজিটিভ মার্ক দিয়ে ওকে ভালোভাবে পাশ করানো যায়।
শক্তিশালী Dimensity 7400 Turbo প্রসেসর সহ ভারতে শীঘ্রই আসছে
ইউএফএস 3.1 অথবা 3.0 স্টোরেজ ইউজ করছে। আমরা বেঞ্চমার্কিং এ স্টোরেজ স্পিড অনুযায়ী ধারণা করে বলতেছি এক্স্যাক্টটা চাইনিজরা ভাই খুব কমই ডিক্লেয়ার করে। এন্ড রম টাইপ হচ্ছে এলপিডিআর 5 এক্স। সো এলপিডিআর 5x রম ইউএফএস 3.0 3.1 যদি রম হয় ডমিসিটি 8500 হ্যা ইটস এ গুড কম্বিনেশন। মোস্ট ডেফিনেটলি বলা যায়। লাস্ট টাইম জে10 এর কিন্তু ছিল ইউফএস 2.2 যেটার কারণে আমি একটু কিন্তু ভালোই ডলার দিছিলাম।
এবার তারা আপগ্রেড করে ঠিকঠাক করছে। হ্যাঁ। এটা আনটুটুতে 22 লাখের মত স্কোর করছে। এন্ড থ্রটলিং টেস্ট আমরা করছি। স্ক্রিনে আপনি হচ্ছে দেখতে পারতেছেন ভিজুয়ালি রেজাল্টটা কেমন। আমাদের গেমিং টেস্টে ইমপ্রেশনে যদিও কম করি। বাট কিছু জিনিস ট্রাই করলাম। লাইক পাবজি। পাবজিতে ম্যাক্স 60 এফপিএস সাপোর্ট করতেছে। এটা চাইনিজ রুমের একটা ইস্যু। 90 এফপিএস সাপোর্টটা যদি চলে আসে তাইলে ভালো। যদি না চলে আসে তাহলে আর কি ধরা ভাই। পাবজি তো স্মুথলি চলছে। 25 30 মিনিট খেলে 6% এর মত চার্জ ড্রপ করছে। এন্ড হিট হয়েছিল 39 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মতন।
এরপর আমরা ডেলটা ফোর্স খেলছি। এটা একটা অপটিমাইজড গেম। বাট আমরা দেখছি যে 15 মিনিট খেলার পরে ফ্রেম ড্রপ করতেছে। একটু স্টার্টার করতেছে। ফাইট করার সময় জিনিসটা খেয়াল করছি আমরা ভালোভাবেই। ডেলটা ফোর্স এই ফোনে 12 এফপিএস সাপোর্ট করতেছে। বাট এই ফ্রেম ড্রপগুলা নোটিসেবল ডেলটা ফোর্স এর ক্ষেত্রে মোস্ট ডেফিনেটলি আমরা সিওর 25 মিনিট গেম খেলার পর হিট হয়েছিল 40 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মত এন্ড চার্জ ড্রপ করছিল সেট মোস্ট প্রবাবলি ডেলটা ফোর্স এখনো এই চিপসেট বাই ডিভাইসের সাথে অপটিমাইজড হতে পারে নাই এজন্য লাগতেছে কারণ।
ইউজুয়ালি আমরা ডেলটা ফোরসে কিন্তু ল্যাগ বা হচ্ছে কি বলে ফ্রেমড্রপ এগুলা আরো কম পাওয়ারফুল চিপসেটের ফোনেও দেখি না দেন কল অফ ডিউটি মোবাইল ওইটাতে আবার একদম স্টেবল পাইছি 144 এফপিএস পর্যন্ত সাপোর্ট করতেছে মানে অপশন দেখাচ্ছে খেলতে পারতেছি স্মুথলি এই জায়গায় আমরা ভালো একটা এক্সপেরিয়েন্স পাইছি। যেহেতু অপটিমাইজ একটা গেম। এন্ড সবশেষে একটা হেভি গেম ট্রাই করছি। গেনশিন ইম্প্যাক্ট। ওইটা খুবই গ্রাফিক ডিমান্ডিং গেম। 60 এফপিএস পর্যন্ত সাপোর্ট করে স্বাভাবিকভাবেই। 56 57 এর মত লক ছিল। এই জায়গায় চার্জ একটু বেশি ড্রপ করছে। 25 মিনিট পর 8% চার্জ কমে যায়। এন্ড হিট টাচ করছে তো আরো বেশি। 41.5 ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এটা প্রচুর ডিমান্ডিং একটা গেম। এখানে খাবে খুব স্বাভাবিক। বাট এই মাল্টিপল গেমগুলা টেস্ট করে আমার কাছে যেটা ফিল হইলো যে এই ফোনটা ওর কম্পিটিশন এন্ড পাশাপাশি তুলনামূলক অন্যান্য ফোনগুলোর তুলনায় একটু বেশি হিট হচ্ছে। একটু বেশি হিট হচ্ছে। ইউজুয়ালি এরকম পাওয়ারফুল বা এর থেকে পাওয়ারফুল ফোনের থেকে আমরা মোটামুটি এক দুই তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কম হিট দেখি। এই গেমগুলাতে এই সেম সেশন রানে। আমরা তো নিয়মিত টেস্ট করতেছি বিভিন্ন ফোনে।
এইটাতে আমার মনে হলো একটু বেশি হিট হচ্ছে। এটা নিয়ে আমরা একটু কনসার্ন। হ্যাঁ। হ্যাঁ ওরা হচ্ছে বেপর চেম্বার ইউজ করছে আইসডোম সেভেন কে কি কি জানি লেখা রাখছে চাইনিজ ওয়েবসাইটে বাট অতটাই ইফেক্টিভ মনে হচ্ছে না এখন পর্যন্ত ফুল রিভিউতে এটা ক্লিয়ারলি বলতে পারবো সফটওয়ার সাইডে অরিজিন ও সক্স এন্ড্রয়েড 16 এর উপর বেস করা কত বছর আপডেট দিবে জানা যায় না বাট প্লাসথ মোস্ট প্রবাবলি ওরা চাইনিজ ফোনের ক্ষেত্রে মোটামুটি এমনই করে ইউ ভালো বাট চাইনিজ রম এজন্য কনসার্ন জানায় দিই যে ভাই নোটিফিকেশন ইস্যু থাকবে আপনি হ্যাপ মেসেঞ্জার ক্ষেত্রে নোটিফিকেশন ডিলে পাবেন লেটে আসবে সবসময় কল আসলে পপআপ করবে না।
আরো পড়ুন: সরকারিভাবে প্রবাসীর সন্তানদের দেড় লক্ষ টাকা শিক্ষা
কিছু টোটকা আছে আমরা তো শতবারের উপরে বলে ফেলছি। বাট সবসময় কাজ করবে না সেটা জেনে বুঝে কেনা ভালো। এজন্য কর্মজীবী মানুষদের একটু বিরত থাকতে বলি এই ধরনের চাইনিজ ফোনগুলা কেনার থেকে। গ্লোবাল ফোনে একটু কম স্পেকে থাকলেও শান্তি। ইউজুয়াল চাইনিজ ফোনের মত প্রি ইনস্টল অ্যাপ আছে। বেশ কিছু এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট, এআই ফিচার টিচার আছে। এআই ইরেজার ইনহ্যান্সমেন্ট এগুলা কাজ করে।
অ্যাপ ওপেনিং ক্লোজিং টেস্ট করলাম। সবকিছু সুন্দর স্মুথ পারফরমেন্সের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভালো পাইছি। এন্ড অরিজিন ও সিক্স দেখতেও সুন্দর করছে। অত মেজর কোন চেঞ্জ আনে নাই। লিকুইড গ্লাসটা বাদে। লিকুইড গ্লাস মানে ওযে আইফোনে যেমন দেখেন আর কি ওরকম একটা ব্যাপার স্যাপার। বাট সফটওয়ার সাইডে আমি বলব চাইনিজ ড্রমের নোটিফিকেশন ডিলে বাদে আপনি মোটামুটি স্যাটিসফাই থাকবেন। এটা একটা স্টেবল ইউআই। এরপরে আসে ব্যাটারি। এন্ড এই ফোনটা ব্যাটারিতে কিং।
920 এমএইচ এর ব্যাটারি। 9000 এমএইচ এ সিলিকন কার্বন ব্যাটারি। ভাই বিশাল ব্যাকাপ পাবেন। আমাদের সিলিকন কার্বন ব্যাটারি টেস্টটা কি আপনি দেখছেন? না দেখলে মিস করতেছেন। কারণ আপনার নেক্সট দুই তিন বছর পর্যন্ত হইলেও এই রেফারেন্স ডাটাগুলা ওই রেজাল্টগুলা আপনার জানা লাগবে। 8000 এ কেমন ব্যাকাপ দিচ্ছে 9000 এ কেমন ব্যাকাপ দিচ্ছে 10000 7000 এ কেমন ব্যাকাপ দিচ্ছে সেটা। সো 9000 এমএইচ এর সিলিকন কার্বন ব্যাটারি থেকে আমাদের টেস্ট রেজাল্ট অনুযায়ী যেটা এপ্রক্স করা যায় G
সেটা হচ্ছে 10 থেকে 11 ঘন্টার মতন এসওটি ইজিলি মানে আপনি দুইদিন এই ফোনটা টানা চালাইতে পারবেন। আপনি যদি হেভি ইউজও করেন তাও 11 12 ঘন্টা টানা চালানো সম্ভব। এমন হচ্ছে ব্যাপার। অনেক মানুষের আড়াই দিনও চলে যাবে। পাশাপাশি বক্সে 90 ওয়াট এর চার্জার দেয়া আছে। এক ঘন্টার আশেপাশে ফুল চার্জ হয়ে যায়। সো চার্জিং এর ক্ষেত্রে কোন চিন্তা নাই। এন্ড এটা ব্যাটারিটাই এটা সবচেয়ে স্পেশাল বিষয়। এই 9000 8000 অনেকেই দিচ্ছে বাট এই প্রাইস রেঞ্জে ও মনে হয় এখন হাইয়েস্ট আছে।
ওর যে কম্পিটিশন Redmi টার 5 ওইটাতে কিন্তু আরো কম। 7000 এর লেভেলের দিকে একটা ব্যাপার স্যাপার। সো ব্যাটারির ক্ষেত্রে এটা ডেফিনেটলি মানে টপ লেভেলের প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। অন্যদিকে এইটার ক্যামেরার ক্ষেত্রে আমি বেশ হতাশ। কারণ এটাতে প্র্যাক্টিক্যালি পিছনে একটা ক্যামেরা দেয়া। অন্যরা ওযে খেলনা একটা আল্ট্রাওয়াইড দেয় না সেটা ওরা বাদ দিয়ে দিছে সব দেখনা পড় রা প্রাইমারিতে 50 মেগাপিক্সেলের son আএস 82 মোস্ট প্রবাবলি সেন্সর ডাটা এখনো জানা যায় নাই নতুন দেখে ওএস সহ 82ই হওয়ার কথা একদম জাতীয় লেন্স একটা বহায় দেয় অথবা এলওটি 600 একই জিনিস ঘুইরা ফিরে আর কি আর ফ্রন্টে একটা 16 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দিছে আসেন কিছু পিকচার স্যাম্পল দেখি ।
সব কিছু এক জায়গায় পেতে চান তাহলে আপনার জন্য iQOO Z11 Turbo
দেইখা বুঝি যে এটা কিরকম এখন এটা পারফরমেন্সের দিকে একটু ঝুকে পড়া ফোন এন্ড চাইনিজ রমের ফোনগুলা ইউজুয়ালি পারফরমেন্সের দিকে ফোকাস করা থাকে। ওরা ক্যামেরাতে খুবই অবহেলা করে। সো সেরকম জিনিস আপনি এক্সপেক্টেশন রাইখেন। আপনি যদি ছবিগুলা দেখেন খুব একটা ডিটেইলড পাবেন না। কালার কিছুটা বুস্টেড লাগে। পপ টপ থাকে। ফ্রেমের মধ্যে যদি কিছুটা কালারফুল কোন কিছু দেখেন তখন সেটা পপ টপ করে ফেলে।
খুব ক্লিয়ারলি বোঝা যায়। ডায়নামিক রেঞ্জের ইনকনসিস্টেন্সি আমরা খেয়াল করছি অল্প যেসব ছবি তুলছি সেগুলাতেই। পোর্ট্রেট তোলা যায় ওয়ান এক্স, 1.5 এক্স এন্ড টু এক্স এ। পোর্ট্রেট স্যাম্পলগুলো আপনারা দেখেন টু এক্স এর ছবিগুলো একটু এপিলিং লাগে আর কিি আপনার ফোনে যদি ক্যামেরার চাহিদা একদম কম থাকে তাহলে এই ফোনটায় মুভ হওয়ার কথা চিন্তা করতে পারেন ক্যামেরায় যদি আপনার প্রায়রিটি একটু হলেও থেকে থাকে তাহলে এইটা স্ট্রেইট আপ আপনার খাতা থেকে বাদ দিয়ে দেন ।
আরো পড়ুন: উপায় একাউন্টের নতুন ফিচার | পেওনিয়ার এখন উপায় অ্যাপে
এটা হচ্ছে ক্যামেরার সব কথা বলার আগেই আমাদের ভার্ডিক দিয়ে দিলাম 16 মেগাপিক্সেল যেই সেলফি ক্যামেরাটা আছে এটা দিয়ে মোটামুটি কিছু ভালো ছবি আসে এখানেও কালার বুস্ট করে একটু মেকআপ করে বাট ফ্রন্ট ক্যামেরাটা তুলনামূলক ভালো আল্ট্রাওয়াইডটা অন্যরা খেলনা দেয় ওরা দেয় নাই প্রাইমারিটা তাইলে খুব শক্তভবক্ত স্ট্রং দিতি না সেখানেও আমি ওরকম পাই নাই যে চোখ ধাধানো একটা প্রাইমারি ক্যামেরা পাইছি এক ক্যামেরা দিয়ে উড়ায় ফেলতে পারব ।
সেই ব্যাপারটা এখানে মিসিং এইটা হচ্ছে আমার কষ্টের জায়গা ভিডিওতে ব্যাক ক্যামেরায় একটা ভালো জিনিস করছে যে 4K 60 এফপিএস রেকর্ডিং রাখছে ভিডিও কোয়ালিটি অত জোস না আসলে নরমাল টাইপের রেজলেশন ভালো বাট কোয়ালিটি ওয়াইজ এভারেজ একটু গুড এই লেভেলের আমি বলব স্টেবিলাইজেশনটা কেমন একটু খেয়াল করেন ভিডিও দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে 1000 টিভি 30 এফপিএস এর সর্বোচ্চ ভিডিও করা যায়।
এছাড়া ওয়াইফাই 6 ব্লুটুথ 5.4 এনএফসি আইআর ব্লাস্টার এইসব কিছু আছে। আপনি কল রেকর্ড করতে পারবেন। ওয়ার্নিং ছাড়া এগুলো চাইনিজ ফোনের ক্ষেত্রে একটা মানে কমপ্লিমেন্টারি প্যাকেজ হিসেবেই আসে। এখন মূল কথা হচ্ছে আইউজের এই মুহূর্তে তো কিনবেন না কোনভাবেই। 40000 টাকা কিনতে আগেই মানা করে দিছি। 35,000 টাকায় নামলে আপনি চিন্তা করবেন কি কি আছে কম্পিটিশন। ওকে ওগুলার তুলনায় কেমন ভালো কেমন খারাপ। আমার প্রেফারেন্সের সাথে আমার কি কি প্রয়োজন সেটার সাথে যাচ্ছে কিনা চিন্তা করবেন।
আরআজকে থেকে ছয় মাস পরে নয় মাস পরে এক বছর পরে দেড় বছর পরে যদি এই ভিডিওটা দেখে থাকেন তখন সেই সময় অনুযায়ী দাম অনুযায়ী মার্কেট অনুযায়ী জাজ করে এরপর কিনবেন। বাট সোফার আমার ইনিশিয়াল ইমপ্রেশন ভালোর দিকে না। কারণ ওই যে দামটা মাত্র বাড়লো। বাড়ার পরেই হচ্ছে এই ভদ্রলোক হাতে আসছে। এখন এইজন্য ওর উপরে আর কি রাগটা আমি ঝাড়লাম সোজা বাংলা কথা বলতে গেলে সহজ স্বীকারক্তি।
আরো বেটার এক্সপেক্টেশন থাকে আমাদের আই কিউর প্রতি। কারণ আইকউ জোস জোস ডিভাইস দিয়ে চাইনিজ ফোনের প্রতি একটা মোহ আকর্ষণ ওরাই কিন্তু সবচেয়ে বেশি তৈরি করছে। স্পেশালি ওদেরনিউ সিরিজ। সেইখানে এই ধরনের ডিভাইস দেখে আমরা আসলে অভ্যস্ত না। এই তুলনায় হয়তোবা কিছু গ্লোবাল ডিভাইসের দিকে আমি যাইতে বেশি সাজেস্ট করব।
স্পেক কম দিলেও ফিচার কম দিলেও ওই জায়গায় শান্তি পাচ্ছেন। এন্ড যেটাই কিনেন না কেন সেলটেক বিডিতে চলে যাইয়েন। তাদের থেকে চাইনিজ ফোন গ্লোবাল ফোন বতি পাবেন। এইটার কম্পিটিশন রেমি টাও 5 ওইটাও দেখতে পারেন। আর আমরা ফুল রিভিউ তখনই আনবো।
যখন মার্কেটে এইটা খুব হট কেক হয়ে যাবে প্রপার দামে চলে আসবে খুব লোভনীয় বস্তু হবে এর আগে না এখন আপনারা আমার একটা জিনিস জানান তো কমেন্টে আপনারা কি ইদানিং চাইনিজ ফোন কিনতেছেনকেমন কিনতেছেন বা কোন মডেলগুলা কিনতেছেন আমার আসলে জানার ইচ্ছা চাইনিজ ফোনগুলা মার্কেটে হুরমুর করে ঢুকে একদম সবার মন জয় করে ফেলছে বাট আমার মনে হয় এখন আবার কাস্টমার বেজ আস্তে আস্তে আস্তে হলেও ডিগ্রেড হইতেছে যারা ফাস্ট মুভ করছিল চাইনিজে তারাই এখন সরে আসতেছে এখন আবার ম্যাচ পিপল যারা চাইনিজ ফোন চিনেও না ওভাবে চাইনিজ রমে অভ্যস্তও তারা যাচ্ছে।