Nothing Phone 4a Pro – কিনলেই জিতবেন নাকি Samsung A57 5G ক্যামেরায় এগিয়ে!

আমি জানি এই দুইটা ডিভাইস নিয়ে আপনারা অনেকেই কনফিউজড। নাথিং ফোন 4 প্রো কিনবো নাকি Samsung Galaxy A57 5G কিনবো? আই মিন ক্যামেরার জন্য কোনটা ভালো হবে। এ বিষয় নিয়ে আপনারা অনেকেই কনফিউশনে আছেন। হ্যাঁ আজকের ভিডিওতে মূলত আমরা কথা বলছি নাথিং ফোন 4 Pro প্রো নিয়ে নিয়ে।

বাট অবশ্যই এই ডিভাইসের সাথে ছোট একটা কম্পেয়ারও আমরা রাখবো। সেক্ষেত্রে আপনি নিজেই ধরতে পারবেন কোন ক্যামেরাটা আপনার জন্য সেরা হচ্ছে। ক্যামেরার জন্য হলে আপনি কি Samsung নিচ্ছেন নাকি নাথিংটাই নিবেন? দেখুন নাথিং এর ক্ষেত্রে বরাবরই আমরা দেখেছি বোল্ড ডিজাইন, ডিফারেন্ট ডিজাইন এবং স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রির সমস্ত রোল ব্রেক করে স্পেশাল ডিজাইন দেয়ার ওরা ট্রাই করে এবং প্রত্যেকটা জেনারেশনেই সেটা আমরা খেয়াল করেছি।

এবারে এসে একেবারে ব্যতিক্রম কিছু দেখছি। হ্যাঁ, নতুন তো অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু ইউনি বডি ডিজাইনের একটা স্মার্টফোন নিয়ে আসছে ওরা। যার বডি ফ্রেম এবং রিয়ার প্যানেল টোটালি এলয় দিয়ে তৈরি। এবং স্মার্টফোনটা দেখতেও কিন্তু বেশ ভালো লাগছে। তার চাইতে বেশি ভালো লাগছে যখন হাতে নিবেন। হ্যাঁ অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম অ্যালুমিনিয়াম ব্যাক হওয়াতে স্মার্টফোনটা ধরে অন্যরকম ফিল পাওয়া যায়। অনেকদিন পরে এ ধরনের ফোন দেখছি।

এবারের ওই iPhone ও এসছে iPhone 17 প্রো ম্যাক্স। তো ওটাতে যে ইস্যুটা আছে সেইম ইস্যুটা আপনি এখানেও ফেস করতে পারেন। বিষয়টা হচ্ছে যদি কোন মেটাল বা কোন কিছুর উপরে খোঁচা লাগে তাহলে অবশ্যই এর কালারটা উঠে যাবে। ডেন্ট পড়বে এবং সেক্ষেত্রে এটা পারমানেন্ট হয়ে যাবে। তো একটু যথশীলভাবে ব্যবহার করা উচিত হবে। অবশ্যই অন্যথায় দেখবেন আপনার শখের ফোনটাতে আপনি আরো কয়েকটা সুন্দর ডিজাইন করে ফেলছেন আর কি।

আরো পড়ুন: কিভাবে আলী এক্সপ্রেস থেকে পণ্য কিনবেন

3.5 মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক ওরা দেয়নি। বাট ক্যামেরা মডিউলের জায়গাটা দেখুন। এইটা কিন্তু একটা রোবটিক টাইপের একটা ভাইব ক্রিয়েট করে। একটু মানে টেইকি টেইকি একটা ব্যাপার আছে। তাছাড়াও আমরা এখানে একটা ম্যাট্রিক্স ডিসপ্লে দেখছি যেটা গোল এবং এর পাশে আরেকটা ডট রয়েছে রেড কালারের ডট যেটা হচ্ছে ক্যামেরায় যখন রোল অন হয় তখন মূলত এইটা ব্লিংক করে। বাট এইখানে যে ডিসপ্লেটা থাকছে ম্যাট্রিক্স ডিসপ্লেটা।

Nothing Phone 4a Pro – কিনলেই জিতবেন নাকি Samsung A57 5G ক্যামেরায় এগিয়ে!

এইটা রেগুলার ধরুন ঘড়ির কাজ করছে। আবার ধরুন নোটিফিকেশনের কাজ করছে। একই সাথে রিয়ার ক্যামেরার ডিসপ্লে হিসেবে এটাকে ব্যবহার করা যেতে পারে। অর্থাৎ রিয়ার ক্যামেরা অন করলে এই ডিসপ্লেতে আপনাকেদেখা যাবে। আদতে ওটা আপনি না কি বোঝার কোন উপায় নেই। কারণ এত বড় বড় ডট যেখানে আপনার টোটাল ফেইস বা আপনার যে অবয়বটা সেটা সে আসলে ফুটিয়ে তুলতে পারবে না। কিন্তু বোঝা যায় যে হ্যাঁ মানে এই ক্যামেরা থেকে যেটা নিচ্ছে সেই জিনিসটা ওখানে ওরা কাজ করার ট্রাই করতেছে।

বাট অবয়বটা ওইভাবে আসলে ধরতে পারে না। সো ওইটা খুব একটা কাজের কিছু হবে না। কেউ যদি মনে করে থাকেন আমি রিয়ার ক্যামেরা দিয়ে যখন ছবি তুলবো এই ছোট্ট ডিসপ্লেটাতে আমার নিজেকে দেখতে পাবো ক্লিয়ারলি। নো সেটা হবে না কিন্তু এটা অন হয় এটুক বোঝা যায় 210 g এর মতো রয়েছে এর ওজন আইপি 65 এর রেটিং থাকছে বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আইপি 65 এটা যে প্রাইস সেগমেন্টের একটা ডিভাইস সেই জায়গা থেকে আসলে বেমান একদমই বেমান বরং আইপি 68 এ ওদের যাওয়া উচিত ছিল ।

নাথিং এর কোন ফোনেই বোধ হয় আমরা আইপি 68 দেখছি না তো এই জায়গায় একটু পিছিয়ে আছে যেটা মাথায় রাখতে পারেন নাথিং ক্লেইম করছে এই স্মার্টফোনটাতে এয়ারক্রাফট গ্রেট অ্যালুমিনিয়াম ওরা ব্যবহার করছে ফর তাদের এই ইউনিবডি ডিজাইন এখন যদি হ্যা ওরকম কিছু হয় ওরকম মেটাল হলে তুলনামূলকভাবে শক্ত হবে র

আরকিবা বাই দ্যা ওয়ে নাথিং ফোন ফোর এ প্রো বাংলাদেশ মার্কেটে কিন্তু মাত্রই এসছে আমাদের কাছে তিন চার দিনের মতো রয়েছে আর কি তো এই ভিডিওতে আমরা অবশ্যই একটা ওভারভিউ তুলে ধরবো বাট একদমই ইন ডেপথ এনালাইসিস সেগুলো নিয়ে আমরা আরো 20 25 দিন পরে যেতে পারবো আমাদের কাছে এটা পাঠিয়েছিল রিও ইন্টারন্যাশনাল তাদের কাছে আপনারা রাইট নাও এই ডিভাইসটা তো পাবেনই এছাড়া বর্তমান সময়ের সমস্ত রকম ।

আরো পড়ুন: ফোনে চার্জ থাকে না করনীয় কি?

জনপ্রিয় ডিভাইসগুলোই এভেলেবেল পেয়ে যাবেন ভিডিও ডেসক্রিপশনে রিও ইন্টারন্যাশনালের ইনফরমেশন মেনশন করা আছে আচ্ছা যদি ডিসপ্লেতে আসি নাথিং এর ডিসপ্লে পার্সোনালি আমার কাছে ভালোই লাগে অনেকের ক্ষেত্রে মনে হতে পারে যে কালারটা একটু নিউট্রাল জায়গা থেকে দিচ্ছে বা একদম অন্যান্য এমোলেটের মত অত বেশি ক্রিস অত বেশি ভাইব্রেন্ট ভিভিভিট টাইপের কালার না। বাট দেখুন এই ফোনটার চিন ভেজেল কিন্তু অনেক বেশি ।

ন্যারো এবং সিমেট্রিক্যাল। যেখানে নাথিং ফোন ফোর এ যেটা ওইটা নিয়ে আমরা বলছিলাম যে ভেজে এরিয়া আরো বেশি ন্যারো করা উচিত ছিল। এইটাতে এসে কিন্তু আমরা সেই ব্যাপারটা দেখছি যে আসলে এটা ন্যারো আছে। টপ সেন্টারে পাচ হোল কাটআউট রয়েছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারটা একটু বেশি নিচে লাগতে পারে। যেটা আমার কাছে লাগে আর কি। এইটা আরেকটু উপরে দিলে মানে ফোনের সাইজ অনুযায়ী পারফেক্ট পজিশন হয় আর কি। যদিও এগুলো ইউজ টু হয়ে যাওয়ার একটা বিষয়। এমনিতে এই ফোনের ডিসপ্লে সাইজ হল 6.83 ইমোলেট প্যানেল 120 হ পর্যন্ত হাই রিফ্রেশরেট দিচ্ছে এলটিপিএস প্যানেল মূলত এইটা এলটিপিতে কোন কথা ছিল না 2160 হচ্ছে।

Nothing 4A Pro কেনার আগে সাবধান!

গিয়ে পিডবএম ডিমিং এটা আরেকটু উপরের দিকেও থাকলে থাকতে পারতো আর কি এডিট 10 প্লাস এর সাপোর্ট আছে এবং 5000 নি পর্যন্ত পিক ব্রাইটনেস দিতে পারে বলে ওরা ক্লেইম করে এখন এই 5000 নিয়ার আপনি সবসময় পাবেন না পাবেন আর কি এইচবিএম এর ক্ষেত্রে ধরুন 1700 1800র আশেপাশে তো সেক্ষেত্রে এটা ইনডোর আউটডোর ডিরেক্ট সানলাইটেও খুব সহজেই দেখা যায় কোন ধরনের স্ট্রাগল ছাড়াই সো আপনার ব্রাইটনেস নিয়ে প্রবলেমে পড়তে হবে না ।

এটুকশিওর থাকতে পারেন টাচ রেসপন্স তো ভালো আছে কিছু অ্যাপের ক্ষেত্রে 90 হz পর্যন্ত লক করতে আমি দেখেছি তবে 120 হz পর্যন্ত মোস্টলি রান করে এবং সুপার স্মুথ মনে হবে বাটার স্মুথ ডিসপ্লে বলা যেতে পারে এখন যে বিষয়টা নিয়ে একটু আগে বলছিলাম যে নাথিং এর প্রায় প্রত্যেকটা ডিভাইসে আমরা খেয়াল করেছি ডিসপ্লের কালার টোনটা একটু নিউট্রাল টাইপের দেওয়ার ট্রাই করে না আইপিএস এর মতো ওরকম না আইপিএস এর চাইতে একটু ভাইব্রেন্ট কিন্তু একদম এ্যামোলেট বা সুপারঅ্যামোলেট যেগুলো দেখি আমরা অভ্যস্ত লাইক আপনি এটার সাথেও বলতে পারেন Samsung Galaxyি A57 এটার সাথে যদি কম্পেয়ার করেন দেখবেন যে এইটার কালারটা

একটু বেশি বুস্টেড সেইম ভিডিও যদি আপনি রান করেন সেক্ষেত্রে বোঝা যাবে যে এটার কালারটা একটু ভাইব্রেন্ট লাগবে। এখন এই বিষয়টা আপনাদের কাছে কেমন লাগে কমেন্ট করে জানাবেন। ডিসপ্লের শার্টনেস রেজুলেশন এন্ড কন্ট্রাস্ট লেভেল সব জায়গা থেকে ওকে আছে। অনলাইন থেকে যতটুকু জানতে পারলাম এটার ডিসপ্লেতে কর্নিং গরিলা গ্লাস সে আই এর বোধহয় প্রোডাকশন আছে। আরেকটু বেটার কিছু দিতে পারতো ওরা দিলেই বরং বেটার হতো।

আরো পড়ুন: নেক্সাস পে অ্যাপের নতুন ফিচার । Nexus Pay Update

যেহেতু বডি ফ্রেম সবকিছু মেটারের এ ধরনের ফোনে আঘাত লাগালে সহজে ডিসপ্লে ভাঙ্গার পসিবিলিটি থাকে আর কি। তো এমনিতে ওভারঅল ডিসপ্লে নিয়ে আমার কমপ্লেনের জায়গা বলতে হয়তো কারো ক্ষেত্রে মনে হতে পারে কালারটা আরেকটু ভাইব্রেন্ট হলে ভালো হতো। আর এই প্রোটেকশনের জায়গাটাতে আরেকটু ইমপ্রুভমেন্টের প্রয়োজন ছিল। দ্যাটস ইট। আচ্ছা এবার যদি আমরা ক্যামেরাতে চলে আসি ফাইনালি। স্মার্টফোনটার রিয়ারে মোট তিনটা শুটার আছে যেখানে 50, 50 এবং 8 মেগাপিক্সেল আমরা দেখছি। মেইন শুটার টেলিফটো যা আপনাকে 3.5 এক্স পর্যন্ত অপটিকাল জুম দেবে। আর ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা 32 মেগাপিক্সেল।

এখন এরকম একটা ডিভাইস থেকে যার দাম কারেন্টলি রয়েছে 54 এর মত। এরাউন্ড এরকম। হ্যাঁ। তো সেই জায়গা থেকে আপনি ডেফিনেটলি ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরায় 4 কে আশা করবেন। বাট এটার ক্ষেত্রে দেখা যায় অনলি রিয়ার ক্যামেরায় আমরা 4 কে পাচ্ছি। তাও 30 এপিএস এর সাথে। এইটা আসলে ভ্যালু ফর মানির জায়গায় রাখতে পারছে না। আচ্ছা ক্যামেরার প্রসঙ্গে বলছিলাম আমরা এই ডিভাইসের সাথে কম্পেয়ার করে দেখবো। ডেফিনেটলি আমরা কম্পেয়ার করব। বাট তার আগে চলুন উনি আসলে কেমন রেজাল্ট দেয় সেটা আগে শুনি তারপরে না হয় কম্পারিজনে আমরা যাচ্ছি। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে নাথিং ফোন 4 প্রোর মেইন ক্যামেরাটা।

বেশ ডিসেন্ট একটা আপু দিতে পারছে। যেখানে শার্পনেস ভালো ডিটেইল ভালো। আপনি জুম করতে চাইলেও দেখবেন যে জুম করার পরও ছবিগুলো ব্যবহার করা যায়। এটলিস্ট এক্স পর্যন্ত মেইন ক্যামেরার ছবি জুম করে সহজেই ব্যবহার উপযোগী। প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে ছবিগুলো যথেষ্ট ক্রিস বাসে। ছবিতে বেশ ভালো রকমের ব্রাইটনেস রয়েছে। হ্যাঁ একেবারে ক্রিটিক্যাল জায়গায় আই মিন খুব এক্সপোজার রয়েছে হাই এক্সপোজার সে সমস্ত জায়গাগুলো ব্যালেন্স করতে গেলে এক্সপোজার কন্ট্রোলিং এ একটু সমস্যা আছে।

যেটা ফিক্সেবল আমি মনে করি। তাছাড়া কালার টোনটা ভালো লাগবে। একেবারে ন্যাচারাল লেভেলের কালার না বরং নাথিং এর প্রিভিয়াস জেনারেট থেকে বলা যেতে পারে এইটার কালারটা আরেকটু ভাইব্রেন্ট করছে ওরা। একটু ওয়ার্মিশ টোন দেয় যেটা দেখতে ভালো লাগছে কিন্তু। তাছাড়া শ্যাডোর দিকে আমরা ডিটেল ভালো পেয়েছি। এইটার কালার টোনটা আমার মনে হয় ম্যাক্সিমাম মানুষের কাছেই ভালো লাগবে। মানে একদম অতিরঞ্জিত কালারফুল না আবার একেবারে ফ্ল্যাট টাইপের না। শ্যাডোতে ভালোই ডিটেইল ধরে রাখছে। তবে নাইট মোড অন করে নিলে বেশ বেটার আউটপুট পাবেন এই ডিভাইসটা থেকে লো লাইট কন্ডিশনে।

সেক্ষেত্রে আপনারা একদম সুপার স্টেডি হাতেও ধরে রাখার প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে এর যে টেলিফোট জুম লেন্সটা এটাতে বেশ ভালোই মজা পাবেন। এই ডিভাইসটাতে আপনি 140 এক্স জুম করতে পারবেন। 3.5 এক্স পর্যন্ত অপকাল রয়েছে। এরপরে আপনি মোটামুটি 140 এক্স পর্যন্ত যেতে পারবেন। ওরাও যদিও ক্লেইম করে আপনি আরো কিছুটা ডিজিটাল জুম করে সেটাতেও লসলেস ছবি পাবেন। লাইক সিক্স এক্স গেলেও আপনি লসলেস জুমের কাতারে রাখতে পারেন। বাট আসলে ওই লেভেলে তো হয় না। কিন্তু ব্যবহার উপযোগী ছবি দিতে পারে। আমরা একদম সর্বোচ্চ জুমের ছবি তুলছিলাম। তোলার সময় যেমনটা দেখা যায় আপনার প্রসেসিং ছবিগুলো মোটামুটি ঠিক করার ট্রাই করে। বাট এত হাই জুমের ছবিগুলো আসলে খুব একটা ডিটেইলড থাকে না।

Nothing 4a Pro: সেরা মিডরেঞ্জ ফোন ২০২৬?

এমনিতে এখানে এসে মজা পাবেন পোর্ট্রেট মোডে। বেশ কয়েকটা ফোকা লেন্থ আপনি ছবি তুলতে পারবেন। অপটিক্যালি জুম হচ্ছে যার ফলে শার্পনেস ডিটেইল ভালো ধরে রাখতে পারছে। ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেসও কিন্তু আর্টিফিশিয়াল লাগে না। জাস্ট আমি সাবজেক্ট সেপারেশনের ক্ষেত্রে একদম ক্রিটিক্যাল জায়গাগুলোতে এস ডিটেকশন একটু মিসম্যাচ পেয়েছি। এর বাহিরে কিন্তু একদমই সুন্দর ছবি দিতে পারে যখন আপনি পোর্ট্রেট মোডে ছবি তুলবেন। তবে আল্ট্রাওয়েটটা এইটা খুব একটা যাচছুই হয় নাই। ওর যে ছোট ভাই তার সাথেই মিল রেখে অলমোস্ট এইটা আবার হয়ে গেছে ধরুন এরাউন্ড 30 কে প্রাইস পয়েন্টের ডিভাইসগুলোর মত। যেখানে আমরা ডায়নামিক স্যান্ডেল ততটা বেটার দেখছি না এবং এইটার কালারটাও কিছুটা ডিফারেন্ট ভাবে প্রেজেন্ট করছে।

আর লো লাইটে এটা কিন্তু ভালো পারফর্ম করবে না। সো আল্ট্রাওটা একেবারে বেসিক লেভেলে থেকে যায়। আর থাকে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা। হ্যাঁ এর ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা 32 মেগাপিক্সেল। এইটার ছবিতে আবার ম্যাক্সিমাম মানুষ সন্তুষ্ট থাকবেন। আপনি যদি আউটডোরে গিয়ে ভালো লাইটিং কন্ডিশনের ছবি তুলেন সেক্ষেত্রে আপনারা ডিটেলের পরিমাণ কিন্তু ভালো লক্ষ্য করবেন। মেইন ক্যামেরার মত ডায়নামিক রেঞ্জ একদম অতটা ওয়াইডার না ঠিকই। কিন্তু এজ এ ফ্রন্ট রেসিং ক্যামেরা ভালো আউটপুট দিচ্ছে। এবারে ফাইনালি আমাদের আসা উচিত কম্পারিজনে।

আমরা যে কাজটা করবো এই দুইটা স্মার্টফোন দিয়ে সাইড বাই সাইড কয়েকটা ছবি নিব যা আপনারা দেখে নিজেরাই কমেন্ট করবেন আসলে আপনার কাছে কোনটা ভালো লাগছে। আমি আমার মতামত যদি দেই এই স্মার্টফোনটা মানে Samsungস টা পিছিয়ে পড়বে টেলিফোটো না থাকার কারণে। বাট এগিয়ে থাকবে আবার এর আল্ট্রাওয়াডের কারণে।

বাকিটা আপনারা বলুন। যাই হোক 54,000 টাকার এই ডিভাইসটা মানেবর্তমান মার্কেটে দাম তো 54,000 রয়েছে। সেই জায়গা থেকে ক্যামেরার জন্য একদম সুপার ডুপার ডিল না অবশ্যই এর চাইতে বেটার ডিল আপনি পাবেন। কিন্তু এটার দাম যদি কমে কিনা 50 এর নিচে চলে আসে তখন গিয়ে আবার বলা যেতে পারে হেড টু হেড কম্পিটিশন দিচ্ছে বা ক্যামেরার জন্য। হ্যাঁ আমি এটাকে চয়েস করতে পারি। এজ এ ব্যালেন্স ডিভাইস। এজ এ ব্যালেন্স ডিভাইস বলারও একটা কারণ আছে। কারণ হলো স্মার্টফোনটার পারফরমেন্সের জায়গাটা। এটা আউট অফ দ বক্স রান করছে Android 16 এ।

আর ম্যাজিক ও 4.1 রয়েছে এবং তিন তিনটা ওরা মেজার আপডেট দিবে। আরেকটা বছর বেশি দিলে তো ভালো হইতো না। অনেকে দেয় কম্পিটিটর রয়েছে যাদের কাছ থেকে আপনি চারটা পাচ্ছেন আর কি সেই জায়গা থেকেই বলা। এখন সবচাইতে বড় বিষয় হচ্ছে নাথিং এর ইউআই। অনেকেই রয়েছে শুধুমাত্র নাথিং এর ইউ এর জন্যই নাথিং এর ফোন ব্যবহার করে এবং এইটার ইউআই সত্যিই ভালো লাগার মত। যথেষ্ট ক্লিন কিন্তু আমরা এখানে প্রয়োজনের ফিচার সবকিছুই পাবো।

যে জায়গা থেকে কাস্টমাইজেশনের প্রচুর সুযোগও রয়েছে। হ্যাঁ একদম এআই এর ছড়াছড়ি তো এতে নেই। বাট আপনার কাজবাজ চলে যাবে। যেমন এশিয়ালস বাটন যেটা আছে এটা স্ক্রিনে যা চলে সেটাকে রেকর্ড রাখতে পারে এমন একটা সামারাইজ আপনাকে দিতে পারে তাছাড়া এখানে জেমনা ইনবিল্ট রয়েছে সেটাও আপনি ব্যবহার করতে পারেন একেবারে বর্তমান সময় Samsung এর ডিভাইসগুলোতে আমরা যে ধরনেরই ফিচারসগুলো দেখি একদম সবকিছু তো নেই বাট।

আপনার রেগুলার কাজবাজকে আরেকটু সহজ করার জন্য যা দরকার সেগুলো আছে কিন্তু যেটা আমি বলছিলাম যে ওদের ইউ থেকে খুবই ফ্লুয়েন্ট একটা এক্সপেরিয়েন্স পাবেন যেখানে আপনার কোন ধরনের ডিলে বা ল্যাগ কিংবা ওই অ্যাপ ক্রাশ করছে এ জাতীয় প্রবলেম ফেস করবেন না তাছাড়া ওভারহিট হয়ে যাচ্ছে কিছু কিছু অ্যাপের ক্ষেত্রে গেলে অটোমেটিক ক্রাশ করে বের করে দিচ্ছে এরকম কোন প্রবলেম ফেস করবেন না।

Nothing Phone 4a Pro | যে ৩টি কারণে আমি ফোনটি নিব না

এমনকি অ্যাপ ওপেন ক্লোজের ক্ষেত্রে আপনি দেখবেন যে যথেষ্ট ফাস্ট ওপেন করতে পারছে। বাই দাওয়ে এসসি কি রয়েছে? না খুব আহাম এসসি নেই এখানে। রয়েছে সnপড্রগন সেফ ইউএফএ 3.1 হল গিয়ে এর স্টোরেজ টাইপ। এইটা আরেকটু উপরের লেভেলে থাকা দরকার। যখন আপনি 500 প্লাস দিয়ে একটা ডিভাইস কিনবেন তখন 4.1 তো আশা করবেন এটাই স্বাভাবিক। এখন ওই জায়গায় একটু কমতি আছে। ওইটাতে যদি আরেকটু ইমপ্রুভমেন্ট থাকতো সত্যি বলতে এই স্মার্টফোন থেকে আরো বেটার বাটারি স্মুথ রেজাল্ট পাওয়া যেত।

আরেকটা বিষয় খেয়াল করেন এই স্মার্টফোনটা আপনারা পাবেন আট জিবি র‍্যাম এবং 12 জিবি রেমে আমার তো মনে হয় এই ধরনের ফোন 12 জিবি রেম থেকে শুরু করা উচিত ছিল আর এদিকে 256 সেই সাথে 128 আমি কয়েকদিন আগে মনে হয় একটা 35000 টাকা প্লাস স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেই বলছিলাম যে 128 জিবি মানে ব্যাপারটা এখন আর যায় না সো এই ফোনের সাথে তো আরো যায় না এটা শুরুই হওয়া উচে ছিল 256 থেকে এবং সেই সাথে 12 দিয়েই শুরু করলে জোস হইতো এবং এই দামের সাথে মানে তখন মনে হইতো যে হ এইটা সিং করতেছে এটা ঠিক আছে ।

এখন ধরেন আপনি 81 128 কিনবেন মানে এটা তো হয় না এই দামে এটা হয় না আসলে সো সnপড্রগন 704 এইটাকে আমি কোনভাবেই 54,000 টাকার আদর্শ চিপ বা সেরা চিপের কাতারে রাখতে পারবো না। কারণ এর চাইতে বেটার কিছু এক্সিস্ট করতে দেখি। আমরা অনর বলেন, আই কিউ বলেন এই ধরনের ডিভাইসগুলোতে আরো বেটার চিপ এক্সিস্ট করতে দেখি।

নাথিং এর ক্ষেত্রে আমরা খেয়াল করেছি ওদের এই যে মিডরেঞ্জ বা হাই মিডরেন্স প্রাইসমেন্টের যে ডিভাইসগুলো হয়ে থাকে এগুলোতে সাধারণত এই টাইপের এসওসি ওরা ইউজ করে আসছে। আর ওরা আসলে একেবারে সুপার পারফরমেন্স ডিভাইসও তৈরি করে না। ওরা মোটামুটি ট্রাই করে একটা ব্যালেন্স টাইপের ডিভাইস দেওয়ার জন্য পারফরমেন্সটা ওরকম ভাবে আসবে। তো সেই জায়গাটা ঠিকভাবে হ্যান্ডেল করতে পারছে।

ইউআই এর অপটিমাইজেশন যেহেতু ভালো আপনি ডে টু ডে লাইফের সমস্ত কাজ বাজ থেকে শুরু করে কখনোই আপনি ফিল করবেন না যে আপনি একটা মিডরেঞ্জ প্রাইস পয়েন্টের ফোন ব্যবহার করছেন। তার চাইতে বেটার ফিলাই দিচ্ছে। এটা সত্যি কথা।

কিন্তু ভাই অনেকেই চাইবেন যে আমি 55000 টাকা দিয়ে একটা বা 54 টাকা দিয়ে একটা ফোন কিনবো। আমি তো মাঝে মাঝে গেমিং গেমিং করবো। আর না করলেও আমার পারফরমেন্সটা এরকম থাকা লাগবে। সেক্ষেত্রে আসলেই এই জায়গাটা দুর্বল। এখন এই ডিভাইস দিয়ে আপনি হ্যাঁ পাবজির মত গেম প্লে করতে পারবেন। আমরা 90 পিএস পর্যন্ত দেখলাম এখন পর্যন্ত আসছে। এটা হতে যাওয়ার কথা।

তবে এখন 90 তে পাবেন এবং 90 তে স্মুথ রেজাল্ট দিতে পারছে। সামটাইমস ফ্লাকচুয়েট করে কিছুটা ফ্রেম রেট। বাট একেবারে মানে 80র নিচে চলে আসে এরকমটা আমরা পাইনি। তাছাড়া সিওডিও কিন্তু বেশ অপটিমাইজ রেজাল্ট দিচ্ছে এই ডিভাইসটার সাথে। তারপরও দেখা যাক আরো বেশ কিছু গেম আমরা প্লে করে দেখবনে পরে কি অবস্থা কি হয়।

কিন্তু এটুক মাথায় রাখতে পারেন। আপনি যদি ডেডিকেটেডলি গেমিং এর জন্য নিতে চান তাহলে এই ফোনের চাইতে বেটার এক্সিস্ট করে। আপনি সেগুলোর দিকে যান। ইভেন আমার মনে হয় সপড্রগন 85 হ্যাঁ সেটাও আপনারা পাবেন। তো আপনার মানে এটা গেমিং এর জন্য কেননা চয়েস করতে হবে।

বাট ব্যালেন্স পারফরমেন্স নিয়ে যদি সন্তুষ্ট থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে এই এসওসি এর ইউআই খুব ভালোভাবে সন্তুষ্ট করতে পারবে। স্টারিও স্পিকার আছে যথেষ্ট লাউড সাউন্ড দেয় ক্লিয়ার সাউন্ড দেয়। ডেপথও ভালো কিন্তু বটম ফায়ারিংটা একটু বেশি লাউড আর কি এই। আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার যেটা রয়েছে এটার পজিশন তো বলছিলাম যে একটু নিচ দিকে কিন্তু একুরেট রেজাল্ট দেয় মোটামুটি ফাস্ট। ব্যাটারির ক্ষেত্রে স্মার্টফোনটার দুইটা ভেরিয়েশন পাওয়া যায়। যেমন একটা হচ্ছে গিয়ে ইন্ডিয়ান মার্কেটের জন্য আরেকটা হচ্ছে ইউএসএ মার্কেটের জন্য।

আপনারা ইন্ডিয়ান মার্কেটের জন্য যেটা ওটাই তো মোস্টলি কিনবেন হয়তো। সেক্ষেত্রে আপনারা 5400 এমএইচ পাবেন আর অন্য ভারিয়েন্টে 580 এমএইচ রয়েছে এমনিতেই ব্যাটারি কম তার উপর আবার এত বৈষম্য আমি জানিনা কেন এটা সাপোর্ট নিচ্ছে 50 ওয়াট চার্জিং সিস্টেম বাট এর বক্সে আপনি ওটা পাবেন না মানে কি একটা অবস্থা এরা এদের জন্মলগ্ন থেকেই কোন চার্জার চার্জার দেয় না কিছু করার নেই সো আপনাকে চার্জার কিনে নিতে হবে এখন নাথিং এর চার্জার দাম অনেক চাইলে সেটা কিনতে পারেন অবশ্যই বাট যদি একটু কম দামের মধ্যে ভালো কিছু নিতে চান ।

18 মাসের ওয়ারেন্টি সহ আপনারা কিউসিও এর চার্জার চয়েস করতে পারেন জ্ঞান টেকনোলজির গ্যালিয়াম নাইট্রেট টেকনোলজির সো ওইটা টা আমি নিজেও ব্যবহার করি আমার Samsung S26 আল্ট্রার সাথে ওইটা সেই জায়গা থেকে রিকমেন্ড করা যায়। ইভেন 45 ওয়াট একটা রয়েছে 67 নাকি 66 ওয়াট একটা আছে। আপনি ওটাও দেখতে পারেন আর কি। এই এখন ব্যাটারির ব্যাকআপে যদি আসি ব্যাটারির সাইজ অনেক কম মনে হলেও বর্তমান সময় অনুযায়ী এটা বিলো স্ট্যান্ডার্ড। এটা সত্যি কথা। কিন্তু ব্যাকআপ একদিন সে দিতে পারে। প্রায় আট ঘন্টার কাছাকাছি এসওটি দেয়।

একেবারে আট ঘন্টা পর্যন্ত পাবেন না। বাট আট ঘন্টার কাছাকাছি এসওটি দেয়। চার্জিং টাইমে মোটামুটি এটা হিট জেনারেট করতে আমি দেখেছি। মেটাল বডি যেহেতু হাতে ফিলটা একটু বেশি দেয়। ইভেন গেমিং এর টাইমেও আমরা এটা মোটামুটি হিট জেনারেট করতে দেখছি। মানে যতটুকু হিট রিজেনারেট করে তার চাইতে হাতে ফিলটা বেশি দেয়। এর মাঝে ওরা একটা ভেপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করছে। বাট আমার যেটা মনে হয় অপটিমাইজেশনই ভালো হওয়াতে এটা ওভারহিটের দিকে যাচ্ছে না আর কি। এটাই 100% করতে আপনার এই ফোন মোটামুটি 70 মিনিটের কাছাকাছি সময় লাগবে আর কি। নেটওয়ার্ক রিসিপশন ভালো আছে।

ওখানে কোন ধরনের প্রবলেম আপনারা ফেস করবেন না। এমনকি ওয়াইফাই রিসিপশনও যথেষ্ট ভালো রেজাল্টদিচ্ছে এই ডিভাইসটি। ইউনিক ফোন হঠাৎ করে আপনার হাতে কেউ দেখলে জিজ্ঞেস করবে বা তাকিয়ে থাকবে যে এই জিনিসটা কি জিনিস। এরকম একটা ব্যাপার তো অবশ্যই থাকে। তবে এটার যে দাম এই দামটা আসলেই অনেকটা বেশি মনে হয়। আগে কিন্তু নাথিং এর এই সিরিজটাকে আমরা দেখতাম আরো কম দামে নিয়ে আসতো।

বাট এবার এসে হ্যাঁ এটা সত্যি যে ইমপ্রুভমেন্ট অনেকটাই এসছে। অনেক নতুন রয়েছে। আগের থেকে একটু বিগ জাম্প দিচ্ছে। কিন্তু দামের ক্ষেত্রে জামটা একটু বেশি হয়ে গেছে আর কি। ওইটা আরেকটু কম থাকলে ভালো হইতো। এমন না যে বাংলাদেশে দাম বেশি। গ্লোবালিই বা ইন্ডিয়ান মার্কেটেই বলেন সবজায়গায় যে লঞ্চ করছে ওরা। সেখানেই দাম আসলে বেশি দিয়ে লঞ্চ করছে। এখন দাম কমবে আশা করা যায়। কিন্তু অনেক যে কমে যাবে এমনটা আশা করা যায় না। তবে আমি আশা করব 50 এর নিচে চলে আসুক। আর সেই জায়গা থেকে আসলে ব্যালেন্স ফোন হিসেবে খুবই ভালো একটা ডিল হতে পারে।

moviezrulezmovie.com একটি বাংলাতে শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইটে মোবাইল ব্যাংকিং, রিভিউ, ব্যাংক, কার্ড, টিপস এবং ইনফো বিষয়ক শিক্ষামূলক আর্টিকেল পাবলিশ করা হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন:

Leave a Comment