এই যে এই কালারটি দেখুন, এই কালারটাকে বলা হচ্ছে Festive Red কালার। সত্যি বলতে এটা দেখে আপনি এভাবে বুঝতে পারবেন না, কালারটা দুর্দান্ত। খুবই সুন্দর লাগে, খুবই প্রিমিয়াম একটা ফিল দেয়। তবে একটা স্মার্টফোনে শুধুমাত্র কালার দেখে বা ডিজাইন দেখে কেনা উচিত না। ভিতরের কি অবস্থা, দাম অনুযায়ী ঠিকঠাক আছে কিনা, সেটা জেনে শুনে পার্চেস ডিসিশন মেক করা উচিত। আর আমাদের কাজ হচ্ছে সেই বিষয়গুলোই ফাইন্ড আউট করা।
আজকের আর্টিকেলে আপনি Vivo Y31D সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু জানবেন। বাংলাদেশ মার্কেটে Vivo এই স্মার্টফোনটির তিনটা ভেরিয়েন্ট লঞ্চ করেছে: 6/128 জিবি, 8/128 জিবি এবং 8/256 জিবি। বেস ভেরিয়েন্টের দাম রেখেছে 24,999 টাকা, পরবর্তী ভেরিয়েন্ট 26,999 টাকা এবং তারপরের ভেরিয়েন্ট 31,999 টাকা। দাম নিয়ে অবশ্যই আমার কিছু মন্তব্য থাকবে, সে বিষয়ে একটু পরে কথা বলছি।
এই স্মার্টফোনের প্রিবুকিং শুরু হয়েছিল ১ মার্চ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত। যারা প্রিবুক করেছেন, তারা Tagamann এর সাথে Vivo এর কোলাবরেশনে তৈরি একটা টি-শার্ট পেয়ে যাবেন।
ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি
কালারের কথা বললাম, এর বাইরে আরো দুইটা কালার রয়েছে। পার্সোনালি আমার কাছে এই Festive Red কালারটা ভালো লাগছে। এই কালারটা রেড, বাট লাইটের রিফ্লেকশনে হালকা গ্রেডিয়েন্ট বা আরেকটু ভাইব্রেন্ট, একটু ভিন্নভাবে প্রেজেন্ট করে, যেটা দেখতে খুব ভালো লাগছে।
তবে বডি ফ্রেমটা টোটালি প্লাস্টিক বিল্ড। বডি ফ্রেমটা ব্ল্যাক রেখেছে ওরা এবং রিয়ার প্যানেলটাও প্লাস্টিকেই তৈরি। হালকা পাতলা ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্মাজেস বসছে, কেস ব্যবহার করলে আরো বেশি ভালো লাগবে। ফোনটা একটু বাল্কি ফিল দিতে পারে, কারণ 219 গ্রামের মতো ওজন রয়েছে। অনেক বেশি মোটা না, কিন্তু ওজনটা বেশ ভালোই। এর কারণ হচ্ছে স্মার্টফোনটির মধ্যে বেশ বড়সড় 7200 mAh এর ব্যাটারি রয়েছে।
আরো পড়ুন: কিভাবে টিকটক আইডি ডিলিট করবেন | How to Delete Tiktok Account 2026
দুঃখজনক হলেও সত্যি, এই ফোনটাতে আলাদা করে মেমোরি কার্ড ব্যবহার করার সুযোগ নেই। সিম কার্ড দুইটা ব্যবহার করতে পারবেন। অন্তত হাইব্রিড স্লট দিলেও পারতো। 25,000-26,000 টাকার স্মার্টফোনে এটা সত্যিই দুঃখজনক।
তবে IP রেটিং ভালো আছে, IP68/IP69K। সুতরাং টুকটাক পানিতে ভেজানো যাবে এবং ফোনটা মোটামুটি শক্তপোক্ত বলে দাবি করছে।
ক্যামেরা
স্মার্টফোনটির রিয়ারে দুইটা ক্যামেরা রয়েছে: 50 মেগাপিক্সেল মেইন এবং 2 মেগাপিক্সেল সেকেন্ডারি শুটার। ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা 8 মেগাপিক্সেলের।
এটা মোটামুটি একটা এভারেজ টাইপের রেজাল্টই দিচ্ছে। আমরা Y সিরিজের স্মার্টফোন এর আগেও দেখেছি, কাইন্ড ওরকম টাইপেরই ছবি দিচ্ছে। প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে শার্পনেস ও ডিটেইল অন পয়েন্টে রাখছে। তবে হেভি হার্শলাইটে বা খুব বেশি হাইলাইটেড এলাকায় সেটা কন্ট্রোল করতে গিয়ে কিছুটা হিমসিম খাচ্ছে।
ডায়নামিক রেঞ্জ সুপার ওয়াইড না হলেও এই প্রাইস পয়েন্টের বেশিরভাগ স্মার্টফোনের সাথে সিমিলার জায়গায় থাকে। লো লাইটে অনেকটা স্ট্রাগল করে, কন্ট্রাস্টের পরিমাণও কিছুটা বাড়ে। নয়েজ কাট করতে গিয়ে যতটুকু সফট করে ফেলে, সেটা জুম করলে বেশ কিছুটা সফট মনে হবে। কালারটা কিছুটা টুইক করে প্রেজেন্ট করছে, একটু ভাইব্রেন্ট ও একটু ওয়ার্মের দিকে নিয়ে।
অনেকেই আল্ট্রাওয়াইড মিস করবেন, কিন্তু Vivo এখানে একটা চালাকি করেছে। ওরা 0.8x, 1x এবং 2x এরকম তিনটা ফোকাল লেংথ মেইন ক্যামেরায় দিয়ে রেখেছে। বাই ডিফল্ট 1x এ প্রেজেন্ট করে, আল্ট্রাওয়াইড প্রয়োজন হলে 0.8x এ যেতে পারবেন এবং 2x এ ছবিও তুলতে পারবেন।
পোর্ট্রেট মোডের ক্ষেত্রে একটাই ফোকাল লেংথ পাচ্ছি, এখানে আরেকটু অপশন দিতে পারতো, অন্তত 2x পর্যন্ত দুইটা ফোকাল লেংথ দিলে ভালো হতো। পোর্ট্রেট মোডের ছবিগুলো ভালো আসছে, এজ ডিটেকশন ভালোই বলা যায়। ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেস কিছুটা আর্টিফিশিয়াল লাগছে এবং হালকা সফটনেস লক্ষ্য করা যায়, স্কিনটা একটু ব্রাইট করছে। খুব একটা খারাপ লাগছে না, তবে ফোকাল লেংথ মিস করছি।
ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা রেডি টাইপের ছবি দিচ্ছে বলা যেতে পারে, কিন্তু ডিটেইলের পরিমাণ কম সেটা বোঝা যায়, ইনডোর ও আউটডোর দুই কন্ডিশনেই।
ভিডিও করার ক্ষেত্রে সেই ওয়াইড মোড 0.8x ও 2x ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ভিডিও সর্বোচ্চ 1080p 30fps এ, ভিডিও বিলো এভারেজ। Vivo এর ফ্ল্যাগশিপ বা হাই মিডরেঞ্জ ফোনগুলোর ক্যামেরা দুর্দান্ত হওয়ায় অনেকের এক্সপেকটেশন হয়তো বেশি থাকতে পারে, কিন্তু এই লেভেলে হিট করবে না। এই প্রাইস পয়েন্টের অর্থাৎ 25,000-24,000 টাকার ফোনের মতো সিমিলার টাইপের রেজাল্ট দেখতে পাবেন।
পারফরম্যান্স ও সফটওয়্যার
ডিভাইসটা আউট অফ দ বক্স Android 16 বেসড Origin OS দিয়ে এসেছে এবং LPDDR4X র্যাম রয়েছে। স্টোরেজ টাইপ UFS 2.2।
প্রসেসর হিসেবে রয়েছে Qualcomm Snapdragon 6s Gen 2, যা 6 ন্যানোমিটার ফেব্রিকেশনে তৈরি। এই প্রসেসরের নাম শুনে হয়তোবা অনেকের মনে হতে পারে ওয়াও, 6s Gen 2 মানে হয়তো হাই মিডরেঞ্জের চিপ। আসলে সেরকম কিছু না। এটা মিডরেঞ্জ প্রাইস পয়েন্টের একটা চিপ, যার AnTuTu স্কোর 5 লাখের আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। কম্পারিজনে নিতে চাইলে Mediatek Helio G100 এর কাতারেও ফেলতে পারেন।
এই প্রাইস পয়েন্টে Mediatek Helio G99, Dimensity 6100 বা আরেকটু বাড়ালে Dimensity 7025 এরকম অপশনও পাওয়া যায়। ওদের সাথে পারফরম্যান্সে দেখা যায় হেড-টু-হেড পারফরম্যান্স দিচ্ছে, তবে সেটা সব জায়গায় একরকম না।
আরো পড়ুন: ইমুর ৫টি সেটিংস এক্ষুণি করুন | imo best settings 2026
ডে টু ডে রেগুলার পারফরম্যান্সে প্রসেসরটা খুব একটা হিট জেনারেট করে না এবং ব্যাটারিও কম বার্ন করে। মাথা ঠান্ডা রেখে পারফরম্যান্স ডেলিভার করার চেষ্টা করে, তবে উড়ন্ত পারফরম্যান্স দেবে এরকম না। বেশ ব্যালেন্স টাইপের একটা পারফরম্যান্স দিতে পারে।
আপনি যদি এমন কেউ হন যার রেগুলার টাস্কই বেশি করা হয়, মাল্টিটাস্কিংয়ে টুকটাক কাজ করেন কিন্তু ফোন বেশি গরম হওয়া পছন্দ না, তাহলে এটা ভালো সাপোর্ট দেবে। কিন্তু গেমিংয়ের জন্য কিনতে চাইলে আমার মনে হয়েছে অনেক ফোনের অপটিমাইজেশনের কারণে Helio G99 বা আরেকটু ভালো চিপ PUBG বা Free Fire এর ক্ষেত্রে বেটার রেজাল্ট দিচ্ছে। ডেডিকেটেডলি গেমিংয়ের জন্য হলে আরেকটু বাজেট বাড়িয়ে অন্য ডিভাইসের দিকে যাওয়া উচিত।
Origin OS বেশ ভালো করছে। ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলোতেও যা দেখেছি, সব ফিচারই বেশ ক্লিনভাবে পাওয়া যাচ্ছে। ল্যাগ বা হিকআপের দেখা নেই, কোনো ধরনের বাগের সমস্যাও হয় না। UI থেকে একটা ভালো এক্সপেরিয়েন্স পাবেন। তবে বেশ কিছু ব্লোটওয়্যার আছে, এক্সট্রা প্রি-ইন্সটলড অ্যাপগুলো আনইন্সটল করে নিলে আরো বেটার আউটপুট পাবেন। আর যেহেতু মেমোরি কার্ড ব্যবহার করতে পারছেন না, নিজস্ব স্টোরেজ যতটা ফাঁকা রাখা যায় ততটাই ভালো।
Camera2 API লেভেল থ্রিতে আনলক রয়েছে।
ডিসপ্লে
এখানে যে ডিসপ্লেটা রয়েছে এটা IPS LCD প্যানেল। IPS নিয়ে কমপ্লেন নেই, ভালো কোয়ালিটির IPS হলে সন্তুষ্ট থাকা যায়। কালার প্রোডাকশন ভালো। কিন্তু এটা HD+ রেজোলিউশনের।
25,000-26,000-27,000 এমনকি 31,000 টাকায় কিনতে গেলে ডেফিনিটলি HD+ রেজোলিউশনের ডিসপ্লে আশা করা যায় না। এই প্রাইস সেগমেন্টে HD+ কোনোভাবেই যায় না। Pill-shaped কাটআউট দিচ্ছে, সেটা ঠিক আছে। কালারেশন ভালো, টাচ রেসপন্স ভালো, ব্রাইটনেস মোটামুটি ঠিক আছে, 1250 nits, ইনডোর ও আউটডোর দুই জায়গায় চালানো যাচ্ছে। কিন্তু রেজোলিউশনের ঘাটতি চোখে বাধবে, বিশেষ করে যখন কোনো টেক্সট বা খুব কাছ থেকে দেখবেন।
আরো পড়ুন: টেলিগ্রামের এর গোপন টিপস | Telegram Tips and Tricks Bangla
এখন এটার সুবিধা হলো ফোন স্মুথ চলছে এবং ব্যাটারি কম বার্ন করছে। কিন্তু দিনশেষে রেজোলিউশনের ঘাটতি আছে। এই ব্যাপারটা যদি আপনার কাছে ম্যাটার করে, তাহলে অবশ্যই ভাবতে হবে। এই জায়গায় এসে হিসাবটা মিলছে না। ফোনের অন্যান্য বিষয়গুলো বর্তমান বাজার অনুযায়ী ভালো করার চেষ্টা করছে, কিন্তু রেজোলিউশন কমিয়ে ফেলেছে। Vivo এর এই জায়গায় Full HD+ রেজোলিউশনের ডিসপ্লে দেওয়া উচিত ছিল। IPS হলেও আপত্তি থাকতো না।
ব্যাটারি
ব্যাটারির জায়গাটা ভালো করেছে। 7200 mAh এর BlueVolt ব্যাটারি রয়েছে। এটা Silicon Carbon ব্যাটারি না, Silicon Carbon হলে ওজন আরেকটু কম হতো। এটা মূলত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। বক্সে 44 ওয়াট চার্জিং সিস্টেম পাওয়া যাচ্ছে।
এই কম্বোকে ডেফিনিটলি ভালো বলতে হবে। 7200 mAh এর বিশাল বড় ব্যাটারি এবং চার্জিং সিস্টেমও ভালো। এই ফোনটা দিয়ে অনায়াসে একদিন প্লাস, এমনকি দেড় দিন প্লাস ব্যবহার করতে পারবেন।
অন্যান্য ফিচার
Bluetooth 5.1 রয়েছে। সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার রয়েছে, পজিশনটাও ঠিক আছে এবং মোটামুটি ফাস্ট। এই ডিভাইসটাতে স্টেরিও স্পিকার পাবেন। বটম ফায়ারিং এবং ইয়ারপিস সেকেন্ডারি স্পিকার হিসেবে ব্যবহার হয়। মোটামুটি যথেষ্ট লাউড ও ক্লিয়ার সাউন্ড দেয়। সাউন্ড কোয়ালিটি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবেন, মাল্টিমিডিয়া কনজাম্পশন টাইমে এই ব্যাপারটা ভালো লাগবে।
দাম নিয়ে মন্তব্য
পারফরম্যান্স নিয়ে কমপ্লেন করার জায়গা নেই যখন 24,999 টাকায় কিনছি। তবে আমার মনে হয় পরবর্তী 8/128 জিবি ভেরিয়েন্টটা 26,999 না হয়ে 25,999 হলে সেই জায়গায়ও সন্তুষ্ট থাকা যেত। কিন্তু 31,999 টাকা অবশ্যই বেশি দাম মনে হবে, যেটা ওই লেভেলে মেসেঞ্জ করছে না।
প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: Vivo Y31D এর দাম কত?
উত্তর: বাংলাদেশে তিনটা ভেরিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। 6/128 জিবি ভেরিয়েন্ট 24,999 টাকা, 8/128 জিবি ভেরিয়েন্ট 26,999 টাকা এবং 8/256 জিবি ভেরিয়েন্ট 31,999 টাকা।
প্রশ্ন: Vivo Y31D তে কি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে?
উত্তর: না, এই ফোনে আলাদা করে মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুযোগ নেই। দুইটা সিম কার্ড ব্যবহার করা যাবে।
প্রশ্ন: Vivo Y31D এর ব্যাটারি ব্যাকআপ কেমন? উ
ত্তর: 7200 mAh এর বড় ব্যাটারি এবং 44 ওয়াট চার্জিং সহ এই ফোন থেকে অনায়াসে দেড় দিন প্লাস ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়া যাবে।
প্রশ্ন: Vivo Y31D কি গেমিংয়ের জন্য ভালো?
উত্তর: না, ডেডিকেটেড গেমিংয়ের জন্য এই ফোন সুপারিশ করা যাচ্ছে না। রেগুলার টাস্ক ও মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য ভালো, কিন্তু গেমিংয়ের জন্য আরেকটু বাজেট বাড়িয়ে অন্য ডিভাইসে যাওয়া উচিত।
প্রশ্ন: Vivo Y31D এর ডিসপ্লে কেমন?
উত্তর: IPS LCD প্যানেল দেওয়া হয়েছে, কালার প্রোডাকশন ও টাচ রেসপন্স ভালো। কিন্তু HD+ রেজোলিউশন এই প্রাইস পয়েন্টে হতাশাজনক। Full HD+ রেজোলিউশন দেওয়া উচিত ছিল।
প্রশ্ন: Vivo Y31D এ কি ওয়াটারপ্রুফ সুরক্ষা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, IP68/IP69K রেটিং রয়েছে, তাই টুকটাক পানিতে ভেজানো যাবে।
শেষ কথা
Vivo Y31D একটা মিক্সড ব্যাগ। ভালো দিক বলতে 7200 mAh এর বড় ব্যাটারি ও 44 ওয়াট চার্জিং, IP68/IP69K রেটিং, স্টেরিও স্পিকার, ক্লিন Origin OS এক্সপেরিয়েন্স এবং রেগুলার পারফরম্যান্সে ব্যালেন্সড পারফরম্যান্স। কিন্তু এই প্রাইস পয়েন্টে HD+ ডিসপ্লে, মেমোরি কার্ড স্লট না থাকা এবং গেমিং পারফরম্যান্সের সীমাবদ্ধতা হতাশাজনক।
আপনাদের কাছে এই স্মার্টফোনের কোন বিষয়টা সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে, কোনটা ভালো লাগেনি, কমেন্ট করে জানাতে পারেন। বাকি ডিসিশন আপনারাই মেক করুন। সবাই ভালো থাকুন।