অবশেষে দেশের মার্কেটে হাজির হয়ে গেলে কিন্তু ডিজে আই পকেট ফোর এবং বাংলাদেশে অফিশিয়ালি লঞ্চ হয়ে গেছে এই জিনিসটা যদিও বা ইন্টারন্যাশনালি লঞ্চ হওয়ার আগেই আমাদের হাতে ছিল কি আর করা যাবে দুঃখের বিষয় হলো আমরা ওই সেইম ডেতে দিতে পারিনি কারণ বাংলাদেশে লঞ্চ করছে দেরি করে এনিওয়ে এই হাতে রয়েছে আমার ডিজি আই পকেট থ্রি আজকের শুধুমাত্র ডিজি আই পকেট ফোর নিয়েই হবে না সাইড বাই সাইড কম্পেয়ার হবে সো সেই ক্ষেত্রে আমরা বুঝতে পারবো প্রিভিয়াস জেনারেশন থেকে নতুনটায় আসলে ইম্প্রুভমেন্ট কি থাকলো কেনইবা আপনি নতুনটা কিনবেন অথবা যদি আপনার হাতে অলরেডি থ্রি থেকে থাকে তাহলে এটাতে শিফট করা উচিত কিনা?
ডিজাই পকেট ফোর লঞ্চিং এর আগে আমাদের স্টুডিওতে পাঠিয়ে দিয়েছিল ডিজাই এর অথোরাইজড ডিলার ড্রোন প্লেস বিডি তাদের কাছে আপনারা এটা পেয়ে যাবেন এর ইন্টারন্যাশনাল প্রাইস হচ্ছে ৪৭৭ অর্থাৎ ৪৭৭ ডলার বাট বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটা ডিফারেন্ট কিছু হওয়ার পসিবিলিটি আছে অবশ্যই হয়তো কনভার্ট করলে যা দাঁড়াবে তার চাইতে কমেও পেতে পারেন।
আরো পড়ুন: মাস্টারকার্ড বনাম ভিসা কার্ড: আপনার জন্য কোনটি?
আর অবশ্যই কমে বা বেশি যেটাই পান না কেন ড্রোন প্লেস বিডি থেকে নিলে আপনারা একটা ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন স্যাম চ্যানেলের সম্মানিত সাবস্ক্রাইবার বললেই চলবে আমি ডেসক্রিপশনে প্রাইসটা দিয়ে দিচ্ছি মূলত আমি যখন শুটটা করছি তখন বাংলাদেশে অফিশিয়ালি লঞ্চেও হয়নি। আর আমি দামটাও জানি না। বাট ইন্টারন্যাশনাল প্রাইস মার্কিংটা ধরেই আমরা আজকের রিভিউটা কন্টিনিউ করব।
বক্স কন্টেন্ট ও ডিজাইন
ওকে? বক্স কন্টেন্ট নিয়ে বলতে গেলে আপনারা এই যে এত এত জিনিস পেয়ে যাবেন। তবে সেটা কম্বো প্যাকের সাথে। কম্বো প্যাকের সাথে বেশ কিছু জিনিসপত্র এক্সট্রা পাওয়া যায়। আপনারা জানেন এবার একটা লাইটও এসেছে এবং সেই লাইটটা আপনারা এর সাথে এটাচ করতে পারবেন। এবং এই লাইটটা ফিল লাইট হিসেবে কাজ করবে। আপনারা যখন কিনা ইনডোরে হোক অথবা লো লাইটে বাহিরে বসে শুট করছেন তখন কিন্তু এটা বেশ কাজে দিবে।
এই লাইটটাকে আবার আপনি চেঞ্জ করতে পারবেন। আই মিন এটা কাস্টমাইজেবল। অর্থাৎ কুলার থেকে ওয়ার্মের দিকে নেওয়া যায় আবার নিউট্রালও রাখা যায় অর্থাৎ ন্যাচারালও রাখা যায়। ব্যাপারটা অনেকের ক্ষেত্রে কাছে লাগতে পারে বাট একটু দেখতে উইয়ার্ড লাগে। আর হ্যাঁ এটাকে আলাদা করে কোন চার্জ দিতে হচ্ছে না। কারণ এর সাথে এই যে এখানে কিন্তু ওদের বেশ কয়েকটা পিন কানেক্টর রয়েছে। ওইটা থেকে সরাসরি জ্বলে। সো ব্যাটারিটা বার্ন করবে এর বডি থেকে।
নতুন ফিচার ও উন্নতি
এবারে না ওরা একটা নতুন কাজ করছে। কাজটা করছে কি? এই যে মানে এর গিম্বেলটাকে লক করার জন্য এইখানে একটা এরকম একটা জিনিস ধরায় দিছে। এইযে এইটা। এইটা দিয়ে আপনি গিম্বেলটাকে লক করে রাখতে পারবেন এবং এভাবে ক্যারি করতে পারবেন পকেটের মধ্যে।
বাট প্রিভিয়াসলি আমরা কি দেখেছি একটা সুন্দর একটা হোল্ডার দিয়েছিল যে হোল্ডারটাতে নেওয়া যেত ওইটা আরো বেশি সেফটি গার্ড হিসেবে কাজ করে এখন এটাও সেফটি গার্ড হিসেবে কাজ করবে ডেফিনেটলি বাট পার্সোনালি জিনিসটা আমার কাছে খুব একটা সুবিধাজনক মনে হয়নি হ্যাঁ একটা পাউজের মতো আছে আপনি ওটাই ক্যারি করতে পারেন বাট স্টিল আমার কাছে প্রিভিয়াস জেনারেশনেরটা বেশি বেটার মনে হচ্ছে।
আরো পড়ুন: মাস্টারকার্ড বনাম ভিসা কার্ড: আপনার জন্য কোনটি?
তো আমরা ছিলাম কোথায় বক্স কন্টেন্ট রাইট আপনারা কিন্তু কম্বো প্যাকের সাথে ডিজাইন মাইক থ্রি যেটা ওটাও পেয়ে যাচ্ছেন ডিজাইনের ক্ষেত্রে তেমন কোন পরিবর্তন কিন্তু আসেনি একই রকম রয়েছে বলা যায় সবকিছুই জাস্ট এইযে এখানে যে একটা গ্রিপ রয়ে এই গ্রিপটা আগের চাইতে একটু বড় করা হয়েছে। প্যাটার্নটা আর কি বড় করা হয়েছে। এই এটা একটু হাতে একটু ডিফারেন্ট ফিল দেয়।
ক্যামেরা ও পারফরম্যান্স
বাট আপনি জয়স্টিকে চেঞ্জেস লক্ষ করবেন। আগেরটার জয়স্টিকটা যতটা টাইট মনে হতো এবারটা আরো বেশি সফট মনে হয় মনে হয় এটা দিয়ে কন্ট্রোল করাটা আরো যেন অনেকটাই সহজ। সেই সাথে দুই দুইটা নতুন বাটন এড হয়েছে। এর মধ্যে একটা কাস্টমাইজেবল বাটন যেটা আপনি কাস্টমাইজ করতে পারবেন। অন্যটি জুম বাটন। আগে আমরা কিভাবে জুম করতাম স্ক্রিন থেকে। বাট এখন সরাসরি এই জুম বাটন থেকে আপনি জুম করতে পারবেন। এটা অনেকের ক্ষেত্রেই দারুন একটা সুবিধা দিবে।
ওজন একটু বেড়েছে। আগেরটাতে ছিল ১৭৯ গ্রাম। এখন এসে ১৯০ গ্রাম দাঁড়িয়েছে। ব্যাটারি মূলত একটু বেড়েছে। তবে আরো একটা জিনিসে কিন্তু ইমপ্রুভমেন্ট পাবেন। আর তা হচ্ছে ডিসপ্লে। আগেরটা ডিসপ্লের তুলনায় এবারের ডিসপ্লেতে ব্রাইটনেস আপনারা বেশি পাবেন। আগেরটা যতটুকু আমার মনে পড়ে ৭০০ নিটস এর আশেপাশে ছিল এখনই সে ১০০০ নিটস হয়েছে। সুতরাং আপনারা যখন এই যে এরকম একদম ব্রাইট লাইট কন্ডিশনে আমি কিন্তু একদম হার্সলাইটে আছি। এখন এরকম লাইটিং কন্ডিশনে ডিসপ্লে দেখতে কোন ধরনেরই সমস্যা হচ্ছে না।
স্লোমো ও অন্যান্য ফিচার
তবে ডিসপ্লের সাইজ বা অন্য কোন কিছু কিন্তু বাড়েনি। ক্যামেরা নিয়ে বলতে গেলে আপনার প্রথমে শুনে মনে হবে ক্যামেরায় কি কোন ইমপ্রুভমেন্ট আসেনি? মানে এবারেও সেইম সাইজের সেন্সর রয়েছে। আই মিন ওয়ান ইঞ্চ সেন্সর রয়েছে। তবে এই সেন্সরের তফাৎ আছে অনেকটাই। অনেকটাই বেটার রেজাল্ট দিচ্ছে। আমরা এখানে যে সেন্সরটা দেখছি আগে আমরা যখন ছবি তুলতাম এটা থেকে ছবি তুলতে পারতাম কিন্তু ৯.৪ মেগাপিক্সেলে। এবারে কিন্তু ৩৭ মেগাপিক্সেলে আপনি ছবি তুলতে পারবেন আপনার নতুন ফোর দিয়ে। পকেটফোর দিয়ে।
কোয়ালিটি দেখেন তাহলেই বুঝতে পারবেন। সবচাইতে বড় পরিবর্তন যেটা আমরা লক্ষ্য করছি সেটা হচ্ছে ডাইনামিক রেঞ্জ হ্যান্ডেল। ডাইনামিক থিংস অনেক বেশি বেটার করছে। বিশেষ করে লো লাইট এরিয়া বা শ্যাডো এরিয়াতে। এমনকি পিকচার কোয়ালিটি বা কোয়ালিটি কিছুটা ব্রাইডার মনে হচ্ছে। ইভেন আপনি যখন ডিরেক্ট সানলাইটের এগেন্সে যাচ্ছেন তখন ফেসকে বেটার ওয়েতে প্রায়রিটি দিচ্ছে।
প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: DJI Pocket 4 এ কী নতুন ফিচার আছে?
উত্তর: ১০৭ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, ৪কে ২৪০ এফপিএস স্লোমো, বেটার ডাইনামিক রেঞ্জ, উন্নত ডিসপ্লে ব্রাইটনেস।
প্রশ্ন: Pocket 3 থেকে আপগ্রেড করা উচিত কি?
উত্তর: লো লাইট বা স্লোমো শুট করলে হ্যাঁ, অন্যথায় Pocket 3 যথেষ্ট ভালো।
প্রশ্ন: স্টোরেজ কত?
উত্তর: ১০৭ জিবি ইন্টারনাল + ১ টিবি পর্যন্ত মেমোরি কার্ড সাপোর্ট।
প্রশ্ন: ব্যাটারি ব্যাকআপ কেমন?
উত্তর: ৪কে ৬০ এফপিএস এ প্রায় ২৪০ মিনিট।
শেষ কথা?
DJI Pocket 4 একটা শক্তিশালী আপগ্রেড। ব্লগিং বা ভ্লগিং করলে অবশ্যই বিবেচনা করুন। ভালো থাকুন, সুন্দর ভিডিও বানান।