চরম গরমে যারা খুবই বিরক্ত কারণ কারেন্ট তো থাকছে না চাচ্ছেন একটা চার্জার ফ্যান কিনতে তাদের জন্য এই রিভিউ মোটামুটি সবকিছু রয়েছে মানে সবকিছুই রয়েছে একেবারে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দামি চার্জিং ফ্যানও রয়েছে এমনকি একটা ফ্যান রয়েছে যেটাকে বলা হচ্ছে ওয়ার্ল্ডের নাম্বার ওয়ান ব্র্যান্ডের ফ্যান।
আর ওই ফ্যানটা কেনার জন্য আপনাদেরকে রিকমেন্ডও করা লাগে না কিছু বলাই লাগে না আপনারা নিজেরাই জানেন ওইটা মার্কেটের সবচাইতে সেরা ফ্যান তবে হ্যাঁ এর মাঝে সিলিং ফ্যানও আছে। শুরুতেই আমরা তাহলে কথা বলছি একদম কম দামি ফ্যানটা নিয়ে যার দাম অনলি ৫৫০ টাকা রয়েছে।
সস্তা হ্যান্ডহেল্ড ফ্যান
বাই দা ওয়ে আজকের রিভিউ আমরা যতগুলো ফ্যান নিয়ে কথা বলছি প্রত্যেকটা আপনারা পেয়ে যাবেন কিন্তু আমাদের সেলভানে। যেহেতু আমাদের স্টোর থেকে আপনারা নিচ্ছেন। সুতরাং আপনার সেল সার্ভিস বা টোটাল সার্ভিসটা ওই লেভেলে পাবেন স্বাভাবিকভাবেই। আপনারা অনলাইন এন্ড অফলাইন দুই ওয়েতেই কিনতে পারবেন। কারণ মিরপুর ১০ নাম্বারে আমাদের একটা আউটলেটও রয়েছে। আপনি চাইলে সেখান থেকেও নিতে পারেন। আর অনলাইন থেকে নেওয়াটাই সহজ।
আরো পড়ুন: ডেবিট কার্ড ভালো নাকি ক্রেডিট কার্ড | Debit Card vs Credit Card Bangla
সর্বোচ্চ লোয়েস্ট প্রাইজে আপনারা আমাদের কাছে পাবেন বা বেস্ট প্রাইসে। সো আমরা যে ফ্যানটা নিয়ে কথা বলছিলাম তা হচ্ছে জেওয়াই সুপার মিনি। জয় সুপার ব্র্যান্ডের একটি ফ্যান। এই হচ্ছে ফ্যান। আমরা একটা শর্ট ভিডিওতে এই ফ্যানটাকে দেখিয়েছিলাম। এই ফ্যানটার সাথে সুন্দর একটা কেইস আসে। এই যে এটার সাথে আবার একটা লাইট রয়েছে। আপনারা তো ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করবেনই ফ্যান। তারপরে লাইট জ্বলবে। এখন অনেক সময় দেখা যায় কারেন্ট চলে গেলে এই লাইটটা কাজে লাগতে পারে। এই লাইটটাকে আবার এখানে রাখলে মোটামুটি একটা ডিম লাইটের মত কাজ করে। ইন্টারেস্টিং।
মাল্টিফাংশনাল ডেস্কটপ ফ্যান
তবে শুধুমাত্র ডিম লাইট না। এটাকে স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এমনকি ছোট্ট আরেকটা স্ট্যান্ড রয়েছে। এটা ক্যারি করার প্রয়োজন নেই। আপনি এটাও ব্যবহার করতে পারেন। এখন এটা একটা হ্যান্ডহেল্ড ফ্যান। যারা মূলত এদিক সেদিক বেশি মুভমেন্ট করেন। বাইরে সাইডে যাওয়া হয়। গাড়ির ঘোড়াতে ঘোড়া হয়। কিন্তু সেখানে ফ্যান নেই, এসি নেই। সেই ক্ষেত্রে এই জিনিসটা আপনার কাজে লাগতে পারে। বিশেষ করে আপুদের এমনকি ভাইদের কারণ এটার ডিজাইনটা মোটেই মেয়ে মেয়ে না। এটা ইউনিসেক্স ডিজাইন বলতে পারেন। সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।
এটার প্লাস্টিক কোয়ালিটি একদম ওই লেভেলের না। অর্থাৎ একটা সস্তা জিনিস চিপ ফিল দিবে। সত্যি বলতে এটাই। তবে একদম নরম না। মোটামুটি শক্তপোক্ত আছে। বাট যে জিনিসটা আমার ভালো লাগে নাই। এখানে রয়েছে মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট। এখনকার যুগে কি মাইক্রো ইউএসবি চলে বলেন। টাইপ সি থাকলে আমরা যেকোনো জায়গায় যেকোনো মুহূর্তে চার্জ করতে পারতাম সহজেই। বাট হ্যাঁ এর সাথে কেবল রয়েছে। আপনি ওই কেবলটা ক্যারি করলে অবশ্যই আপনি চার্জ করতে পারবেন যেকোন জায়গায়। এটার ব্যাকআপ মোটামুটি ওকে। ব্যাকআপ আছে দেড় ঘণ্টার মত বাদে দেড় ঘণ্টা প্লাস প্লাস কিছুটা বেশি পাওয়া যায়।
মাল্টিফাংশনাল ডুয়েল ফ্যান
সো এটা ওকে। এইটা হ্যান্ডেল ফ্যান। এটা একদম লং রানে কিভাবে চালিয়ে রাখে না। এটা যখন লাগে তখন ব্যবহার করে। সো সেই জায়গা থেকে আমার মনে হয় মানে ডেইলি একবার চার্জ করলে সুন্দর মত চলে যাওয়া উচিত আউটডোরে মুভমেন্ট করলে টলে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে সেলভানে একটা দারুণ প্যাকেজ রয়েছে এটা নিয়ে। যেমন একটা আপনি কিনলে ৫৫০ টাকা পড়ছে। দুইটা নিলে পরে একসাথে দুইটা নিলে ৯৯০ টাকা। তিনটা নিলে ১১৯০ টাকা। তো দেখা যায় যে বন্ধু বান্ধব একসাথে কিনলেন অথবা ফ্যামিলির সব পার্সনসের জন্য অনেকে কিনতে পারে সেক্ষেত্রে প্যাকেজ নিলে বেটার।
আরো পড়ুন:
এখন যাদের বাজেট আরেকটু বাড়ানো সম্ভব কিন্তু চাচ্ছেন একটা ইউনিক জিনিস তাদের জন্য এইটা আর এটা হচ্ছে মাল্টিফাংশনাল ডেস্কটপ ফ্যান যার দাম ১০৯৯ টাকা। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এখানে আপনি এক ঢিলে দুইটা ফ্যান পেয়ে যাচ্ছেন। মানে এই একটা ফ্যান আলাদা, এই একটা ফ্যান আলাদা। এটার সাথে আরেকটার কোন কানেকশন নেই। আপনারা একটা ফ্যান দুইজন মানুষ ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রিমিয়াম জন্ড ফ্যান
লাইক আপনি আমি সামনাসামনি রয়েছি। এই রাখলাম এটা দিয়ে আমি বাতাস খাচ্ছি। এটা দিয়ে আপনি খাচ্ছেন অথবা এপাশে পাশে রয়েছে। দুজন দুই পাশ থেকে খাচ্ছে। ব্যাপারটা কিন্তু দারুণ। এমনকি আপনি শুধুমাত্র একটা ফ্যান রান করে রাখতে পারবেন। আরেকটা অফ করে রাখতে পারবেন। এবং দুইটার মাঝে আলাদা আলাদা ব্যাটারি রয়েছে। দুইটা আলাদা আলাদা রান করা যাবে। তো সেক্ষেত্রে একটা সুবিধা। যদি সিঙ্গেল ব্যবহার করতে থাকেন তখন ব্যাকআপ বেশি পাবেন। আর যদি এট টাইম দুইটা সেক্ষেত্রে তো দুই ঘণ্টা পাবেন। ভালো বিষয়।
এখন সবকিছুরই দাম বাড়তে শুরু করছে। ব্যাটারি আছে যেগুলোতে আমরা পাওয়ার ব্যাংকের দাম প্রতিটাতে ৩০০-৪০০ টাকা করে বাড়াতে দেখছি। কিছু করার নেই। বাট এটার দাম একটু বেশিই বাড়ছে। এটার দামটা মানে আগে যেভাবে ছিল ওই জায়গা থেকে খুবই দারুণ কিছু ছিল। মানে আর কোন কথাই নেই। এখনো এর ধারের কাছে কোন কম্পিটিটর নেই। সত্যি বলতে এটাই। সেই জায়গা থেকে এটাকেই আমি আবারও রিকমেন্ড করছি।
প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: সবচেয়ে সস্তা চার্জার ফ্যান কোনটা?
উত্তর: জেওয়াই সুপার মিনি, মাত্র ৫৫০ টাকা।
প্রশ্ন: দুইটা ফ্যান একসাথে কিনলে কত লাগবে?
উত্তর: ৯৯০ টাকা (প্যাকেজ অফার)।
প্রশ্ন: সবচেয়ে ভালো প্রিমিয়াম ফ্যান কোনটা?
উত্তর: জিসু লাইফ এফএ ১৩ পি, দাম ৪৬৯০ টাকা, ২৫-২৬ ঘণ্টা ব্যাকআপ।
প্রশ্ন: কোন ফ্যান সিলিং ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
উত্তর: জন্ড এম ৩২, দাম ১৮৯০ টাকা।
শেষ কথা?
গরমে চার্জার ফ্যান খুবই উপকারী। বাজেট অনুযায়ী সঠিক মডেল বেছে নিন। ভালো থাকুন, শান্তিতে থাকুন।